৪ বছরের মধ্যে বৃহত্তম ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লেন কিম

চলতি মাসে সপ্তমবারের মতো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া। গতকাল রবিবার দেশটির পূর্ব উপকূলীয় এলাকা থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় এটি। ধারণা করা হচ্ছে, ২০১৭ সালের পর এটি সবচেয়ে বড় এবং মধ্যমপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইআরবিএম)।

এক মাসে সাতবার ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর নিন্দা জানিয়েছে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র। ব্যালিস্টিক এবং পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় উত্তর কোরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে জাতিসংঘ। তবে নিষেধাজ্ঞা এবং পশ্চিমাদের চোখ রাঙানি উপেক্ষা করেই একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে পারমাণবিক ক্ষমতাধর দেশটি।

রবিবার দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, এটি মধ্যম পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইআরবিএম), যা ২০১৭ সালের নভেম্বরের পর সবচেয়ে বড় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা। জাপান ও দক্ষিণ কোরীয় সরকারের অনুমান অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্রটি ২ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত উচ্চতায় পৌঁছায়।  ৩০ মিনিটের জন্য ৮০০ কিলোমিটার দূরত্বে যেতে সক্ষম হয়। পরে এটি জাপান সাগরে পড়ে।

ক্ষোভ প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার মাধ্যমে জাতিসংঘের রেজল্যুশন লঙ্ঘন করছে পিয়ংইয়ং। দেশটিকে উসকানি বন্ধ করে আলোচনায় বসার আহ্বানের তাগিদ দিয়েছে বাইডেন প্রশাসন।