বর্ণবাদের অভিযোগে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তদন্তের আহ্বান অ্যামনেস্টির

ফিলিস্তিনিদের জমি ও সম্পত্তি দখল, বেআইনি হত্যাকাণ্ড ও তাদের নাগরিকত্ব অব্যাহতভাবে অস্বীকার করে বর্ণবাদ নীতি বজায় রেখেছে ইসরায়েল। নতুন প্রতিবেদনে এ সব অভিযোগ তুলেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থাটি।

প্রতিবেদনটিকে ইহুদিবিরোধী ও ভুল বলে প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েল ও ইহুদিবাদী সংগঠনগুলো। অবশ্যই প্রকাশের আগেই বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় তারা।

মঙ্গলবার জেরুজালেমে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন অ্যামনেস্টির মহাসচিব অ্যাগনেস ক্যালামার্ড।

২০০ পৃষ্ঠারও বেশি প্রতিবেদনটি সম্পন্ন হতে চার বছরেরও বেশি সময় লেগেছে।

ইসরায়েলকে বর্ণবৈষম্য ও বিচ্ছিন্নকরণ, ক্ষমতাচ্যুতি ও বর্জনের নীতির জন্য অভিযুক্ত করতে অ্যামনেস্টি আরও কয়েকটি মানবাধিকার সংস্থার সঙ্গে যোগ দেয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজা, পূর্ব জেরুজালেম, পশ্চিম তীর বা ইসরায়েল যেখানে বসবাস করুক না কেন ফিলিস্তিনিদের নিকৃষ্ট জাতিগোষ্ঠী হিসেবে বিবেচনা করে ইসরায়েল। পদ্ধতিগতভাবেই তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়।

ইসরায়েলকে অস্ত্র ও অর্থনৈতিক সহায়তা সরবরাহ বন্ধ করতে প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

এতে আরও বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের উচিত মানবতার বিরুদ্ধে সম্ভাব্য অপরাধ তদন্ত করা; যা সংঘাতের সময় ইসরায়েল ও হামাস উভয়ই সংঘটিত করে থাকতে পারে।

এ প্রতিবেদনকে পশ্চিম তীর ও গাজা উভয় স্থানের ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা স্বাগত জানিয়েছেন। গাজায় হামাসের একজন মুখপাত্র হাজেম কাসেম বলেন, প্রতিবেদনে ফিলিস্তিনিদের জীবনের বাস্তবতা প্রতিফলিত হয়েছে।