সাভারে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে যৌতুকের দাবিতে মারধর, সিগারেটের ছ্যাঁকা ও শরীরের গরম পানি ঢেলে দেওয়াসহ বিষ প্রয়োগ করে হত্যাচেষ্টার একটি মামলা করেছিলেন এক গৃহবধূ। এখন সাভার থানার সেই মামলা তুলে নিতে চাপ দিচ্ছেন শ^শুরবাড়ির লোকজন। স্থানীয় দুই কাউন্সিলর ও মামলায় তদন্ত কর্মকর্তারা চাপ দিচ্ছেন এজাহার পরিবর্তনের।
গতকাল শনিবার দুপুরে সাভার পৌর এলাকার মজিদপুর রোডের একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তোলেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ শান্তা ইসলাম।
শান্তা যশোরের ঝিকরগাছা থানার কৃষ্ণনগর খলিফাপাড়া গ্রামের কাবুল মিয়ার মেয়ে এবং সাভারের গেণ্ডা এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে সাগরের স্ত্রী।
লিখিত বক্তব্যে শান্তা বলেন, সর্বশেষ গত ১২ ডিসেম্বর রাতে শ^শুরবাড়ির লোকজন তাকে মেরে ফেলার জন্য শরীরে গরমপানি ও গায়ে সিগারেটের আগুন দিয়ে ক্ষত-বিক্ষত করে এবং মুখে বিষ ঢেলে দেয়। পরে মৃত ভেবে সড়কে ফেলে দিলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। দীর্ঘ চিকিৎসায় কিছুটা সুস্থ হয়ে তিনি সাভার মডেল থানায় একটি মামলা করেন। এ ঘটনায় মামলার আসামি সাগর এবং সাগরের বাবা নজরুল ইসলাম, মা খুরশিদা বেগমকে আটক করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। তবে তার ভাশুরসহ মামলার অন্য আসামিরা মামলাটি তুলে না নিলে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছেন। এ ছাড়াও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই জাহিদ মামলাটি বানোয়াট ও তিনি নিজেই আহত হয়েছেন মর্মে আদালতে বক্তব্য পেশ করার জন্য তাকে ভয় দেখাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন গৃহবধূ শান্তা।