গ্রাহকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের পর আলোচনায় আসা ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালিতে যুক্ত হতে চান প্রতিষ্ঠানটির সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেলের শ্বশুর- শাশুড়ি।
কারাগারে থাকা রাসেল ও তার স্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির সাবেক চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের নামে থাকা কিছু শেয়ার কিনে এতে সম্পৃক্ত হতে মঙ্গলবার হাইকোর্টে মৌখিকভাবে আবেদন করেন রাসেলের শ্বশুর রফিকুল ইসলাম তালুকদার, শাশুড়ি ফরিদা তালুকদার ও প্রতিষ্ঠানটির সাবেক নির্বাহী পরিচালক এহসান সরওয়ার চৌধুরী।
বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ তাদের ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এ বিষয়ে হলফানাম আকারে আবেদন করতে আদেশ দেন।
আদালতে ইভ্যালির পরিচালনা বোর্ডের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোরশেদ আহমেদ খান। ব্যারিস্টার মোরশেদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘রাসেলের শ্বশর-শাশুড়িসহ তিনজন বুধবার হাইকোর্টে হাজির হয়ে জানান, ইভ্যালি পুনর্গঠনে তারা আন্তরিকভাবে কাজ করতে চান। এ জন্য তারা রাসেল ও শামীমার শেয়ার কিনে এর সঙ্গে যুক্ত হতে চান। আদালত তাদের ১৫ ফেব্রুয়ারি লিখিত আকারে আরজি পেশ করতে বলেন।’
ইভ্যালি পরিচালনা বোর্ডের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ৮ ফেব্রুয়ারি রাসেল, তার স্ত্রী-সন্তানসহ পরিবারের সদস্যদের ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাব কেন জব্দ করা হবে না তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর (শোকজ) আদেশ দেয় হাইকোর্টের এই কোম্পানি বেঞ্চ।
এর আগে গত ১৬ জানুয়ারি হাইকোর্ট এক আদেশে সিটি ব্যাংক ও সাউথ ইস্ট ব্যাংকের দুটি হিসাব থেকে ২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা কোম্পানির স্বার্থে উত্তোলন করতে পরিচালনা বোর্ডকে অনুমতি দেয়।
একই সঙ্গে ইভ্যালির নামে থাকা ২২ গাড়ি বিক্রি বা ভাড়া দিয়ে কোম্পানির স্বার্থে ব্যবহার করা যাবে বলে আদেশ দেয় আদালত। গত ২২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের এই কোম্পানি বেঞ্চ ইভ্যালির সম্পদ বিক্রি ও হস্তান্তর করা যাবে না বলে অন্তবর্তীকালীন আদেশ দেয়।