গণসংহতি আন্দোলনকে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন দিতে হাইকোর্টের রায় ও নির্দেশনা বাস্তবায়ন না হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকীর পক্ষে আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়–য়া হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ মামলা করেন।
গণসংহতি আন্দোলনকে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন দিতে ২০১৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনে আবেদন করা হয়। ২০১৮ সালের ১৯ জুন ইসি এক চিঠির মাধ্যমে গণসংহতিকে নিবন্ধন করা যাবে না উল্লেখ করে তাদের অবহিত করে। পরে ওই চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে জোনায়েদ সাকী হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। শুনানি নিয়ে ২০১৮ সালের ১১ নভেম্বর গণসংহতিকে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে ইসির উদ্দেশ্যে রুল দেয় হাইকোর্ট।
এরপর গত বছরের ১০ অক্টোবর সিইসির উদ্দেশে আইনজীবীর মাধ্যমে আদালত অবমাননার নোটিস পাঠান জোনায়েদ সাকী। কিন্তু নোটিসের কোনো জবাব দেননি সিইসি। এর ধারাবাহিকতায় হাইকোর্টে আদালত অবমাননার এ মামলা হয় বলে জানান ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।
বাদীপক্ষের আইনজীবী দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘গণসংহতিকে নিবন্ধন দিতে হাইকোর্টের রায় ও সুনির্দ্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু সেটি প্রতিপালন হয়নি।’