নতুন নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে মতামত নিতে প্রথম দফায় দেশের বিশিষ্ট ২০ ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে সার্চ কমিটি। শনিবার সকাল ১১টায় সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে সার্চ কমিটির সঙ্গে ২০ নাগরিকের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।
শুক্রবার রাতে অনুসন্ধান কমিটিকে সাচিবিক সহায়তার দায়িত্বে থাকা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্র সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করে।
এই ২০ ব্যক্তি হলেন-সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ এফ হাসান আরিফ, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ফিদা এম কামাল, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার, সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, মুনসুরুল হক চৌধুরী, ব্যারিস্টার রোকনুদ্দিন মাহমুদ, এম কে রহমান, ড. শাহদীন মালিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন খান, ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম, অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান, বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, ড. আসিফ নজরুল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য ড. মাকসুদ কামাল, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক মাহফুজা খানম, এফবিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট মো. জসিম উদ্দিন, ব্রতীর প্রধান নির্বাহী শারমিন মুরশিদ, ফেয়ার ইলেকশন মনিটরিং অ্যালায়েন্সের (ফেমা) প্রেসিডেন্ট মুনিরা খান ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মাহমুদ আলী।
আইন অনুযায়ী, এই সার্চ কমিটি নতুন ইসি গঠনের জন্য যোগ্য দশজনের নাম প্রস্তাব করবে। সেই নাম থেকে পাঁচজনকে বেছে নিয়ে রাষ্ট্রপতি গঠন করবেন ত্রয়োদশ নির্বাচন কমিশন। সেই ইসির ওপরই থাকবে আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন আয়োজনের ভার।
সংবিধানের ১১৮ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইন পাসের পর গত ৫ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি সার্চ কমিটি গঠন করে দেন। নাম প্রস্তাব করার জন্য সার্চ কমিটিকে ১৫ দিন সময় দেওয়া হয়েছে আইনে। তার আগেই ১৪ ফেব্রুয়ারি পূর্ণ হচ্ছে কে এম নূরুল হুদা নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ।
আইন অনুযায়ী সার্চ কমিটির হাতে ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় থাকলেও ‘প্রয়োজনে’ ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কাজ শেষ করার ইঙ্গিত এসেছে।