জাল সনদপত্র তৈরি করে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নেওয়ার অভিযোগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাত শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রংপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয় সম্প্রতি এ অনুসন্ধান শুরু করেছে। গতকাল শনিবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
অভিযুক্ত শিক্ষকরা হচ্ছেন গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রাফিয়া মোরশেদা বেগম, ধানখুনিয়া ২ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নুরুন্নাহার, গাড়ামারা ঘুগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গুলবাহার, বামন হাজরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সুলতানা পারভীন, সাতাইল বাতাইল বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোছা. জেসমিনারা বেগম, বাইগুনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মুন্নি খাতুন, দামগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আম্বিয়া খাতুন।
দুদক কর্মকর্তারা জানান, মুক্তিযোদ্ধার জাল সনদপত্র এবং ইউনিয়ন ও উপজেলা কমান্ডারের মিথ্যা প্রত্যয়নপত্র তৈরি করে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সরকারি চাকরি নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ওই সাত শিক্ষকের বিরুদ্ধে। একইসঙ্গে তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দায়িতপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অনিয়মের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। গত বছরের জুলাই মাসে করা অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক বিষয়টি অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়। প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ের সত্যতা পাওয়ায় অভিযোগটি আমলে নেওয়া হয়।