পটুয়াখালীর দুমকিতে বিয়ের দাবিতে এক তরুণী (২৩) প্রেমিকের বাড়িতে গত সাত দিন ধরে অবস্থান নিয়ে অনশন করছেন বলে জানা গেছে।
গত ৭ ফেব্রুয়ারি উপজেলার উত্তর মুরাদিয়া গ্রামের অসীম কুমার সরকারের বাড়িতে অবস্থান নেন ওই তরুণী। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অসীমের সঙ্গে ওই তরুণীর দুই বছরের প্রেমের সম্পর্ক। তারা একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কেও জড়িয়েছেন।
ওই তরুণীর বাড়ি পটুয়াখালী সদর উপজেলার লোহালিয়া ইউনিয়নে।
স্থানীয় সূত্র আরও জানায়, প্রায় দুবছর যাবৎ ওই তরুণী বিয়ের জন্য চাপ দিয়ে আসছিলেন অসীম সরকারকে। তবে, নানা টালবাহানায় গা ঢাকা দিয়ে যোগাযোগ বন্ধ করেন অসীম। নিরুপায় হয়ে ওই তরুণী গত ৭ ফেব্রুয়ারি বিয়ের দাবিতে অসীমের বাড়িতে অবস্থান নেন।
ওই তরুণী বলেন, ‘প্রেমিক অসীমের সঙ্গে বিয়ে ছাড়া আমি ফিরব না; যদি ফিরতে হয় তবে আমাকে লাশ হয়ে ফিরতে হবে। কোনো প্রকার চাপে ফেললেও আমি অবস্থান ও অনশন ভাঙব না।’
ওই তরুণীর মা জানান, তার মেয়ে বিয়ের দাবিতে অসীম সরকারের বাড়িতে অবস্থান করছেন। অসীমকে তার প্রভাবশালী পরিবার আত্মগোপনে রেখে মীমাংসার নামে নানাভাবে চাপ তৈরি করছে। সাদা কাগজে বেশ কয়েকবার তার মেয়ের জোড়পূর্বক স্বাক্ষর নেয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
আজ সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মুরাদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান, লোহালিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় প্রভাবশালীরা মীমাংসা বৈঠকে বসেছেন।
মুরাদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান সিকদার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, উভয় পরিবারের সম্মতিতে মীমাংসার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তবে অভিযুক্ত অসীম সরকার অনুপস্থিত থাকলে মীমাংসার সম্ভাবনা নেই।
দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুস সালাম বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। তবে এখনো কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।