চারকোল চিকেন নিয়ে গুলশানে ‘তাজা বারবিকিউ হাউস’

পরিবার, প্রিয়জন বা বন্ধুদের সঙ্গে জমিয়ে আড্ডার ব্যবস্থা ও নানান স্বাদের খাবার নিয়ে রাজধানীতে গড়ে উঠছে নিত্য নতুন রেস্টুরেন্ট। সেই তালিকায় হালের সংযোজন ‘তাজা বারবিকিউ হাউস’।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, গুলশান ২ নম্বরের নর্থ অ্যাভিনিউতে অস্ট্রেলিয়ান হাই কমিশনের বিপরীতে নতুন রেস্টুরেন্টটি যাত্রা শুরু করেছে।

সন্দেহ নেই রেস্টুরেন্ট ব্যবসা আজকাল বেশ প্রতিযোগিতামূলক, বিষয়টি মাথায় রেখেই পরিকল্পনা সাজিয়েছেন বলে জানান রেস্টুরেন্টটির অন্যতম স্বত্বাধিকারী মো. হারুন উর রশীদ। তিনি বলেন, ভিন্নধর্মী ও জনপ্রিয় কিছু আইটেম মান বজায় রেখেই ক্রেতা ও ভোক্তাদের জন্য পরিবেশন করবো আমরা। সেই লক্ষ্য থেকেই সব বারবিকিউ আইটেমের সঙ্গে আমাদের রেস্টুরেন্ট প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে চারকোল চিকেন রোটিসেরি নিয়ে এসেছে।

আরও জানান, মধ্যপ্রাচ্যের জনপ্রিয় বিবিকিউ ফ্লেভারসহ নানা খাবারের সঙ্গে এখানে পাওয়া যাবে বিশ্বমানের কফি, ল্যাটে, পেস্ট্রিসহ অনেক মজাদার আইটেম।

হারুন উর রশীদ বলেন, আমাদের সিগনেচার আইটেম হচ্ছে ফারুজ চিকেন, এটা চারকোল চিকেন রোটিসারির মেশিনে বানানো হয়। সারা বিশ্বেই এটি অন্যতম সেরা স্বাদের বারবিকিউ আইটেম হিসেবে জনপ্রিয়। আশা করি বাংলাদেশের ভোজনরসিকদের কাছেও জনপ্রিয়তা পাবে।

ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম বা স্ন্যাপচ্যাটের এই যুগে রেস্টুরেন্টে গিয়ে ‘ফুডোগ্রাফি’ আর ‘ফটোগ্রাফি’ খুবই পরিচিত। তাই ভোক্তাদের আকর্ষণ করার জন্য প্রতিটি রেস্টুরেন্টেই তাদের ইন্টেরিয়র ডিজাইনে নতুনত্ব এবং ভিন্নতা নিয়েই হাজির হয়। ‘তাজা বারবিকিউ হাউস’ও ব্যতিক্রম নয়, নজরকাড়া ইন্টেরিয়র ডিজাইন দিয়েই সাজানো হয়েছে রেস্টুরেন্টটি৷।

গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ‘তাজা বারবিকিউ হাউস’ খুলে দেওয়া হয়েছে। এদিন জমকালো আয়োজনে রেস্টুরেন্টটির উদ্বোধন হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন তাজা বারবিকিউ হাউসের স্বত্বাধিকারী মো. হারুন উর রশীদ, মোতাহার হোসেন (এমপি), নজরুল ইসলাম বাবু (এমপি), আহমেদ ফারুক মোস্তাকগ্লু (ডেপুটি কো অরডিনেটর, টিকা) এবং ইফতেখার হোসেন (চেয়ারম্যান, আলোকিত বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন)।