বই প্রকাশের চেয়ে লেখার আনন্দ বেশি

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ার সময় স্কুল ম্যাগাজিনের জন্য প্রথম লিখেছিলেন সাম্মি ইসলাম নীলা। পরে গ্রামের একটি কলেজে পড়ার সময় কবিতার সঙ্গে তার সখ্য বাড়ে। নিয়মিত লিখতে থাকেন এবং স্থানীয় বিভিন্ন সাহিত্য সাময়িকীতে প্রকাশ হতে থাকে তার লেখা। স্নাতক পড়তে ঢাকায় ভর্তি হওয়ার পর জাতীয় দৈনিকের সাহিত্য পাতায় প্রথম লেখা ছাপা হয় এই তরুণ কবির।

২০২০ সালের অমর একুশে বইমেলায় নীলার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ধীরে এসো বসন্ত’ প্রকাশ করে পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স। ওই বছর দেশ রূপান্তর বইমেলায় প্রকাশিত প্রথম বইয়ের লেখকদের নিয়ে বিশেষ ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। যেখানে ছিল নীলার বইটির খবরও। 

প্রথম বই প্রকাশের দুই বছর পর দেশ রূপান্তর আবারও জানতে চেয়েছে সেই লেখকদের সাহিত্যচর্চার খবর। কেমন চলছে নীলার সাহিত্যচর্চা? এ বিষয়ে জানতে চাইলে নীলা বলেন, ‘লেখালেখির চর্চা অব্যাহত আছে, তবে বই প্রকাশের ক্ষেত্রে একটু হিসেবি হতে চাই। দ্বিতীয় বইটি কবে প্রকাশ হবে নিজেও জানি না। বইয়ের পা-ুলিপি প্রস্তুত করেছি। সেটা আরও কয়েকবার সম্পাদনা করে বই বের করব।’

বই প্রকাশ হওয়ার আনন্দ আছে, তবে লেখার আনন্দ তারচেয়েও বেশি বলে মনে করেন তিনি। এই তরুণ কবি বলেন, ‘আমি কমই লিখি। বই প্রকাশের চাপ নিয়ে কখনই লিখি না। যখন ভালো লাগে লিখি, সেই লেখাগুলো পড়ে আবার নিজেই সম্পাদনা করে বইয়ের জন্য পা-ুলিপি সাজানোর চেষ্টা করি। দ্বিতীয় বইটি প্রকাশের জন্য এখন প্রস্তুতি নিচ্ছি।’