সুনিল নারিন ঝড় তুলেছিলেন। তবে সেই ঝড় সামনে বিপিএল ফাইনালে লক্ষ্যটা নাগালেই রেখেছে ফরচুন বরিশাল।
মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে শুক্রবার টস জিতে ব্যাট করতে নামা কুমিল্লা ৯ উইকেটে ১৫১ রান করতে পেরেছে।
ওপেন করতে নামা নারিন এদিন ২১ বলে ফিফটি করেন। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে যিনি ১৩ বলে ফিফটি করেছিলেন। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে যা রেকর্ড।
ষষ্ঠ ওভারের দ্বিতীয় বলে নারিন ফেরেন মেহেদি হাসান রানার শিকার হয়ে। স্লোয়ার বলটি লং অনের ওপর দিয়ে খেলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বাউন্ডারি লাইনে ধরা পড়েন নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে। শেষ পর্যন্ত ২৩ বলে ৫টি করে চার ও ছক্কায় ৫৭ রান করেন তিনি।
নারিনের ব্যাটে পাওয়ার প্লে শেষে কুমিল্লার রান ছিল ২ উইকেটে ৭৩। কিন্তু নারিনকে ফেরানোর পরই দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে বরিশাল। মুজিব উর রহমান, শফিকুল ইসলাম, সাকিব আল হাসান, ডোয়াইন ব্রাভো ও মেহেদি হাসান রানা অসাধারণ বল করতে থাকেন। পাঁচজনই পুরো বোলিং কোটা শেষ করেন।
নারিনের পর ইংলিশ অলরাউন্ডার মইন আলি বাদে কুমিল্লার আর কেউ সেভাবে দাঁড়াতে পারেননি। মইনের দৃঢ়তাতেই মূলত কুমিল্লার পুঁজিটা পরে দেড় শ ছুঁয়েছে। কৃতিত্ব দিতে হবে আবু হায়দারকেও। সপ্তম উইকেটে দুজন ৫১ বলে ৫৩ রানের জুটি উপহার দেন।
মাইন ও রনি শেষ ওভারে ফেরেন। সঙ্গে শহিদুল ইসলামও ফেরেন ওই ওভারে। ৩ উইকেট হারিয়ে শেষ ওভারে মাত্র ৩ রান তুলতে পারে কুমিল্লা।
রান আউটে কাটা পড়া মইন ৩২ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ৩৮ রান করেন। রনি ২৭ বলে ১টি করে চার ও ছক্কায় করেন ১৯ রান।
বরিশালের পক্ষে ২৭ রান খরচায় ২ উইকেট নেন মুজিব। ৩১ রান খরচায় ২ উইকেট নিয়েছেন শফিকুল। ১টি করে উইকেট নিয়েছেন সাকিব, ব্রাভো ও মেহেদী রানা।
চলতি বিপিএলে বরিশাল-কুমিল্লার তিনটি লড়াই দেখেছে দর্শক। লিগ পর্বে একটি করে ম্যাচ জিতেছে বরিশাল ও কুমিল্লা। অন্যদিকে প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে কুমিল্লাকে হারিয়েই ফাইনালে ওঠে বরিশাল। পরে কুমিল্লা দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সকে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছায়। এবার যাদের জয় হবে তারাই পাবে শিরোপা।
আরো পড়ুন