সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য কবি কাজী রোজীর মরদেহ বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে নেওয়া হচ্ছে।
রবিবার দুপুর ১টা ৩০ মিনিট থেকে ২টা পর্যন্ত শ্রদ্ধা নিবেদন করা যাবে। এ সময় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মুহম্মদ নূরুল হুদাসহ অনেকে উপস্থিত থাকবেন।
কাজী রোজীর পরিবার ও বাংলা একাডেমি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আজ বাদ আছর রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে কাজী রোজীকে। এর আগে সেখানেই তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন মেয়ে সুমী সিকানদার।
শনিবার দিবাগত রাত ২টা ৩০ মিনিটে মারা যান একুশে পদক ও বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার জয়ী কবি কাজী রোজী।
শারীরিক জটিলতা নিয়ে গত ৩০ জানুয়ারি রাজধানীর একটি হাসপাতালে কাজী রোজীকে ভর্তি করা হয়। কভিড পজিটিভ হওয়ায় তাকে আইসোলেশন ইউনিটের আইসিইউতে রাখা হয়েছিল।
কবি কাজী রোজীর জন্ম ১৯৪৯ সালের পয়লা জানুয়ারি, সাতক্ষীরায়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে সাহিত্যে স্নাতক ও এমএ পাস করেন। ২০০৭ সালে তথ্য অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা হিসেবে অবসর নেন। ১৯৬০-এর দশকে কবিতা লেখা শুরু করেন কাজী রোজী।
তিনি জাতীয় সংসদের ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনে প্রথমাবস্থায় নির্বাচিত অপর ৪৭ জন সদস্যের সঙ্গে ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ ‘সংসদ সদস্য’ পদে নির্বাচিত হন। কবিতায় বিশেষ অবদানের জন্য ২০১৮ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ও ২০২১ সালের বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদক পান কাজী রোজী।
তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলো হল- পথঘাট মানুষের নাম (কাব্যগ্রন্থ), নষ্ট জোয়ার (কাব্যগ্রন্থ), আমার পিরানের কোনো মাপ নেই (কাব্যগ্রন্থ), লড়াই (কাব্যগ্রন্থ), শহীদ কবি মেহেরুন নেসা (জীবনী গ্রন্থ), রবীন্দ্রনাথ: রসিকতার কবিতা (গবেষণা গ্রন্থ)।