পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ার সময় লেখালেখির শুরু মুমতাজাহ নাওয়ার সুবহার। রাজধানীর নাবিস্কো থেকে বারিধারায় স্কুলগাড়িতে যাওয়া-আসার পথে মানুষ দেখা আর বিচিত্র সেই মানুষের গল্প নিজের খাতায় লিখে রাখা। এভাবেই এ স্কুলছাত্রী লিখতে থাকে নানামুখী জীবনের গল্প। ২০২০ সালে অমর একুশে বইমেলায় প্রকাশ হয় তার প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘ঘোর ভাঙাবো ঢোল পিটিয়ে’। তখন অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল মুমতাজাহ। ওই বছর দেশ রূপান্তর বইমেলায় প্রকাশিত প্রথম বইয়ের লেখকদের নিয়ে বিশেষ ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। যেখানে ছিল মুমতাজাহর বইটির খবরও।
দুই বছর পর আবারও দেশ রূপান্তরের সঙ্গে কথা হয় মুমতাজাহ নাওয়ার সুবহার। এ লেখক জানায়, তার লেখার চর্চা অব্যাহত রয়েছে। স্কুলের পড়ার বাইরে নানারকম গল্পের বই পড়া আর ছবি আঁকায় সময় কাটে। এবারের মেলায় প্রকাশ হয়েছে তার দ্বিতীয় গল্পগ্রন্থ ‘গল্প যদি শুনতে চাও’। এটি প্রকাশ করেছে ম্যানগ্রোভ পাবলিকেশনস। বর্তমানে দশম শ্রেণিতে পড়–য়া মুমতাজাহ জানায়, শিশু-কিশোর উপযোগী একটা গল্পের বই। ছয়টি ছোটগল্প আছে বইটিতে। প্রতিটি গল্পের সঙ্গে লেখকের হাতে আঁকা একটি করে রঙিন চিত্র আছে। বইটির প্রচ্ছদ এঁকেছেন মোস্তাফিজ কারিগর।
লেখালেখি কেন করা হয় জানতে চাইলে এ লেখক বলল, ‘আমার মনের অনুভূতি প্রকাশ করার জন্য লেখালেখি করি। শিক্ষাজীবনের সঙ্গে সঙ্গে আমি লেখালেখিটাও চালিয়ে যেতে চাই, যতদিন সম্ভব। জনপ্রিয় লেখক না হতে পারলেও সাহিত্যজগতে আমি পরিচিত হতে চাই।’