পুরো ইউক্রেন দখলের পরিকল্পনা নেই: পুতিন

ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করেছে রাশিয়া। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লামির পুতিনের নির্দেশের ঘণ্টাখানেকের মধ্যে দেশটির পূর্বাঞ্চলে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।

ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি শহরে আক্রমণ করেছে রাশিয়ার সেনাবাহিনী। হামলা থেকে বাদ যায়নি কিয়েভের বিমানবন্দর ও সামরিক সদরদপ্তর। ইউক্রেনের মন্ত্রীরা পুতিনকে ‘ইউক্রেনে সম্পূর্ণ আক্রমণের’ জন্য অভিযুক্ত করেছেন।

দেশটির স্থানীয় সময় ভোর ৫টায় পুতিনের ভাষণ সম্প্রচারিত হয়। যেখানে রাশিয়ার সামরিক আক্রমণকে হুমকি জানানো যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের নিন্দা করা হয়।

ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রী দিমিত্রো কুলেবা তার অফিশিয়াল টুইটার পেজে জানান, ‘শান্তিপূর্ণ ইউক্রেনের শহরগুলো হামলার শিকার হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তিনি ‘যুদ্ধের আগ্রাসন’ হিসেবে জানান।

ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আন্তন গেরেশচেঙ্কো সাংবাদিকদের জানান, রাশিয়ার আক্রমণ শুরু হয়েছে। রাজধানী কিয়েভে মিসাইল আক্রমণ হচ্ছে।

তার ঘণ্টাখানেক আগে পুতিন ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চল রাজ্যের ডনবাসে সামরিক অভিযানের ঘোষণা দেন। যেখানে দোনেৎস্ক ও লুহানেস্কের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দখলকৃত অঞ্চল রয়েছে, যা সোমবার স্বাধীন হিসেবে স্বীকৃতি দেয় মস্কো।

রাশিয়ার জাতীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারে দেখানো হয়, ইউক্রেনের সৈন্যদের অস্ত্র নিয়ে বাড়ি যেতে আহ্বান জানাচ্ছেন পুতিন। তিনি আরও জানান, হামলা এবং সম্ভাব্য সব রক্তপাতের সমস্ত দায় ইউক্রেন সরকারের ওপর বর্তাবে।

পুতিন আরও বলেন, ‘আমাদের পুরো ইউক্রেন দখলের পরিকল্পনা নেই। কারও ওপর নিজেদের পরিকল্পনা চাপিয়ে দেওয়া আমাদের উদ্দেশ্য নয়।’