কিয়েভে ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলা রাশিয়ার

ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার দ্বিতীয় দিনে কিয়েভে ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী।

শুক্রবার দিনের শুরুতে রাজধানী কিয়েভে কমপক্ষে তিনটি বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। খবর সিএনএন’র।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রধানের উপদেষ্টা আন্তন গেরাশচেঙ্কো টেক্সট মেসেজে রিপোর্টারদের এ কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক মিসাইল দিয়ে কিয়েভে হামলা শুরু হয়েছে। আমি বিকট দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পেয়েছি।’

কিয়েভ থেকে সিএনএন টিম জানায়, শুক্রবার প্রথম কয়েক ঘণ্টায় মধ্য কিয়েভে দুটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় এবং কিছুটা ব্যবধানে তৃতীয় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

এদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, রাশিয়ার ‘স্যাবোটাজ গ্রুপ’ ইতোমধ্যে কিয়েভে ঢুকে পড়েছে বলে তার কাছে তথ্য রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘শত্রুরা আমাকে নাম্বার ওয়ান লক্ষ্যবস্তু করেছে। আর আমার পরিবার তাদের দ্বিতীয় লক্ষ্যবস্তু। রাষ্ট্রের প্রধানকে হত্যার মাধ্যমে তারা ইউক্রেনকে রাজনৈতিকভাবে ধ্বংস করতে চায়।’

ভিডিও ভাষণে জেলেনস্কি আরও বলেন, তিনি কিয়েভে সরকারি কোয়ার্টারেই আছেন। তার পরিবারের সদস্যরাও ইউক্রেনেই রয়েছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার ভোরে ইউক্রেনের ডনবাস অঞ্চলে সামরিক অভিযানের নির্দেশ দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

এ নির্দেশের পরই কিয়েভসহ ইউক্রেনের প্রধান প্রধান শহরে ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলা শুরু হয়। একপর্যায়ে তিন দিক থেকে সাঁজোয়া বহর নিয়ে ইউক্রেনে ঢুকে পড়ে রুশ বাহিনী। রাজধানী কিয়েভের কাছে বিমানঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ নেয় রুশ প্যারাট্রুপাররা।

রাশিয়ার হামলায় এখন পর্যন্ত ইউক্রেনের ১৩৭ জন সেনা ও বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন জেলেনস্কি।

একই সময়ে রাশিয়ার ৫০ জনের বেশি সেনা ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর হাতে নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করেছেন তিনি।