ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা মিখাইলো পোডোল্যাক বলেছেন, ‘সম্ভব হলে আলোচনা করা উচিত। যদি তারা মস্কোতে আলোচনা করতে চায়, আমরা এতে ভয় পাই না। আমরা আমাদের নিরপেক্ষ অবস্থান নিয়ে কথা বলব। সংলাপের জন্য আমরা প্রস্তুত আছি। শান্তি স্থাপনে আমাদের অবিরাম প্রচেষ্টার একটি অংশ সংলাপ।’
ন্যাটোতে যোগদানের বিষয়ে নিরপেক্ষতা এবং শান্তি চেয়ে রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে শুক্রবার রয়টার্সের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী অস্ত্র জমা দিলেই সংলাপে বসা যাবে জানিয়ে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ শুক্রবার বলেছেন, ‘মস্কো কিয়েভের সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। তবে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী অস্ত্র জমা দিলেই তা সম্ভব হবে। মস্কো চায় না ‘নব্য-নাৎসিরা’ ইউক্রেন শাসন করুক।
ইউক্রেন বর্তমানে ন্যাটো বা ইউরোপীয় ইউনিয়নের অংশ নয়। দেশটি অবশ্য রাশিয়ার বলয়ে থেকে বেরিয়ে এসে এই দুই সংস্থাতেই যোগ দিতে চায়।
সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে স্বাধীনতা পাওয়ার পর ইউরোপীয় দেশগুলোর কাছ থেকে নিরাপত্তার নিশ্চয়তার বিনিময়ে ইউক্রেন পারমাণবিক সক্ষমতা হারাতে থাকে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেন আক্রমণ করার নির্দেশ দেন এবং শুক্রবার রুশ সেনারা ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের দিকে অগ্রসর হয়।