ইউক্রেনে কঠিন প্রতিরোধের মুখোমুখি হয়েছে রাশিয়া— এমন মন্তব্য এসেছে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে। খবর বিবিসি।
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, রাশিয়ান সামরিক বাহিনীর বারবার হামলা সত্ত্বেও ইউক্রেন মূল শহরগুলো ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।
এক বিবৃতিতে বলা হয়, একাধিক ফ্রন্ট থেকে রাশিয়ান বাহিনী রাজধানী কিয়েভকে ঘিরে ফেলার চেষ্টা করছে। কিন্তু ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর ‘শক্তিশালী প্রতিরোধের’ সম্মুখীন হয়েছে ভ্লাদিমির পুতিনের সেনারা।
আরও জানায়, দক্ষিণ ইউক্রেনের মারিউপোল ও মেলিটোপোল শহরের মধ্যে নৌ ও বিমান থেকে আক্রমণ চালাচ্ছে রাশিয়া।
এর আগে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী বলেছে, কিয়েভ সেনা ঘাঁটিতে রাশিয়ার হামলা প্রতিহত করেছে তারা।
শনিবার এক ফেসবুক পোস্টে দাবি করা হয়, কিয়েভের একটি সেনা ঘাঁটি রাশিয়ান সৈন্যদের আক্রমণের বিরুদ্ধে তুমুল লড়াই করেছে।
বৃহস্পতিবার ভোরে ইউক্রেনে হামলা শুরু করে রাশিয়া। রুশ সৈন্যরা উত্তর, দক্ষিণ এবং পূর্ব দিক দিয়ে ইউক্রেনে ঢুকে পড়ে, বড় বড় শহর ও সেনা ঘাঁটিতে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া যায়। হামলার দ্বিতীয় দিনেই রুশ সেনারা ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে ঢুকে পড়েছে।
শুক্রবার ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের প্রধান একটি বিমানবন্দর এবং বিমানঘাঁটি দখলে নিয়ে নিয়েছে রাশিয়ান সেনারা। প্রায় ২০০ হেলিকপ্টার ব্যবহার করে অভিযান চালিয়ে ইউক্রেনের দুই শতাধিক সৈন্যকে হত্যার পর হোসটোমেল নামের ওই বিমান ঘাঁটি দখল নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
এর আগে রাশিয়ান সেনারা ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের আন্তোনভ নামের আরেকটি বিমান ঘাঁটিও দখল করে নেয়।
ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করছে, তাদের সঙ্গে যুদ্ধের দুদিনেই রাশিয়ার ১,০০০ জনের বেশি সেনা নিহত হয়েছে।