বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) ছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৬ আসামি ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
রবিবার বিকেল ৩টায় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হুমায়ুন কবির, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া সুলতানা লিপি ও মো. শরিফুর রহমানের আদালতে তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। জবানবন্দি শেষে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, আসামিদের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড শেষে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তারা এ ঘটনার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা আদালতে স্বীকার করেছেন।
এর আগে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে র্যাব গোপালগঞ্জের বিভিন্ন স্থান থেকে ওই ৬ আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়া আসামিরা হলেন- গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চরমানিকদাহ গ্রামের রাকিব মিয়া ওরফে ইমন (২২), শহরের মার্কাস মহল্লার পিয়াস ফকির (২৬), প্রদীপ বিশ্বাস (২৪), মো. হেলাল সরদার (২৪), নবীনবাগের মো. নাহিদ রায়হান (২৪) ও বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার মৌপুরা গ্রামের তূর্য মোহন্ত (২৬)।
গতকাল শনিবার রাতে র্যাব ওই ৬ আসামিকে গোপালগঞ্জ থানায় সোপর্দ করে।
গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে গোপালগঞ্জের হেলিপ্যাড থেকে বের হওয়ার সময় ভুক্তভোগীর বন্ধুকে মারধর করেন ওই বখাটেরা। পরে ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে পাশের নির্মাণাধীন জেলা প্রশাসন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বারান্দায় নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন।
এরপর থেকে শিক্ষার্থীরা অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে এবং আন্দোলন চলাকালে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় দোষীদের গ্রেপ্তারের বিচারের দাবিতে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।