দ্বাদশ অধ্যায় : বাংলাদেশ ও বিশ্ব
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
১. পৃথিবীতে বাংলাদেশসহ কতটি দেশ আছে?
উত্তর : ১৯৫টি।
২. বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে কী কী থাকা খুবই প্রয়োজন?
উত্তর : ভ্রাতৃত্ব ও বন্ধুত্ব।
৩. বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে কীভাবে বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি এবং সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে?
উত্তর : বিশ্বের দেশগুলো বিভিন্ন দিক দিয়ে একটি অপরটির ওপর নির্ভরশীল। এভাবেই দেশগুলোর মধ্যে গড়ে উঠেছে বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি এবং সহযোগিতামূলক সম্পর্ক।
৪. কেন ও কখন জাতিসংঘ গঠিত হয়?
উত্তর : সম্প্রীতি ও সহযোগিতার প্রয়োজন উপলব্ধি করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ গঠিত হয়।
৫. জাতিসংঘের প্রধান লক্ষ্য কী?
উত্তর : জাতিসংঘের প্রধান লক্ষ্য বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা।
৬. বাংলাদেশ কত সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে?
উত্তর : স্বাধীনতা লাভের পর ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
৭. বর্তমানে জাতিসংঘের সদস্য সংখ্যা কত?
উত্তর : বর্তমানে জাতিসংঘের সদস্য সংখ্যা ১৯৩।
৮. সাধারণ পরিষদে কত সালে কোন বাংলাদেশি সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন?
উত্তর : ১৯৮৬ সালে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।
৯. আন্তর্জাতিক আদালতের কাজ কী?
উত্তর : সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সীমানাসহ দেশের অন্য যেকোনো বিরোধ মীমাংসা করা।
১০. কোন আদালতের মাধ্যমে কখন বঙ্গোপসাগরের সমুদ্রসীমা নিয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে একটি বিরোধে বাংলাদেশ নিজের পক্ষে রায় পায়?
উত্তর : আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে ২০১২ সালে।
১১. জাতিসংঘের সব প্রশাসনিক কাজ কোনটির মাধ্যমে পরিচালিত হয়?
উত্তর : সচিবালয়ের মাধ্যমে।
১২. বর্তমানে জাতিসংঘের কোন শাখার কাজ নেই বললেই চলে?
উত্তর : অছি পরিষদের।
১৩. অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের কার্যাবলি সম্পর্কে লেখো।
উত্তর : এটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক সমস্যা যেমন : দারিদ্র্য দূরীকরণ, শিক্ষা, বেকারত্ব ইত্যাদি ক্ষেত্রে জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে কাজ করে থাকে।
১৪. বিশ্বের শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব পালন করে জাতিসংঘের কোন শাখা?
উত্তর : নিরাপত্তা পরিষদ।
১৫. নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি সদস্য রাষ্ট্রের নাম লেখো।
উত্তর : নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি সদস্য রাষ্ট্র হলো যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ফ্রান্স ও গণচীন।