মাদক কারবারে বাধা দেওয়ায় হামলা ইউপি সদস্যসহ আহত ৬

মাদারীপুরে মস্তফাপুর ইউনিয়নের পরাজিত ইউপি সদস্য প্রার্থী মনজুর হোসেন মিন্টু শিকদারের মাদক কারবারে বাধা দেওয়ায় বর্তমান ইউপি সদস্য হাবিব হাওলাদারসহ ছয়জনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। তারা মাদারীপুুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার মস্তফাপুর ইউনিয়নের বড়মেহের এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। হাবিব হাওলাদার (৩২) মস্তফাপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য। মনজুর হোসেন মিন্টু শিকদার (৩৮) সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে একই ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী ছিলেন।

আহত অন্যরা হলেন নাসির হাওলাদার (৪৫), ইলিয়াস হাওলাদার (৩৫), ফজলে হাওলাদার (৪৫), হুমায়ুন শিকদার (৩৫) ও আজিজুল হাওলাদার (৪৫)।

আহতদের অভিযোগ, এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি মিন্টু শিকদার সম্প্রতি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যান। এরপর থেকেই জয়ী ইউপি সদস্য হাবিব হাওলাদারের সঙ্গে তার বিরোধ চলে আসছিল। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে হাবিব হাওলাদার মিন্টু শিকদারকে মাদক কারবার বন্ধ করতে বলায় দুজনের মাঝে কথাকাটাকাটি হয়। এর জের ধরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে মিন্টু শিকদারের নির্দেশে শিহাব শিকদার, মনির শিকদার, রকিব হাওলাদারসহ ২০ থেকে ৩০ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হাবিব হাওলাদার ও তার সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় হাবিবসহ ছয়জন আহত হন।

হাবিব হাওলাদার বলেন, মিন্টু শিকদারকে মাদক কারবার বন্ধ করতে নিষেধ করায় আমার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আমার চিৎকারে আমার দুই ভাই ও কয়েকজন সমর্থক এগিয়ে এলে তাদের ওপরও হামলা চালিয়ে জখম করা হয়।

অভিযোগ অস্বীকার করে মিন্টু শিকদার জানান, তিনি মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত নন। গত বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই মাদারীপুর জেলার বাইরে আছেন। এ ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তিনি বলেন, ‘আমি শুনেছি হাবিব হাওলদার ও তার লোকজন আরেকজনের বাড়িতে হামলা করতে যাওয়ায় এলাকার লোকজন তাদের প্রতিহত করেছে।’

এ ব্যাপারে মাদারীপুর সদর থানার ওসি কামরুল ইসলাম মিঞা বলেন, মনজুর হোসেন মিন্টু শিকদারকে আগেও মাদকসহ পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল। ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।