বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু হলে পচা মাছের ভর্তা বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এর আগেও খাবারে বিভিন্ন সময়ে শামুক, কাঁকড়া পাওয়া গেছে। আবাসিক শিক্ষার্থীরা সেসব ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশসহ অভিযোগ জানালেও ব্যবস্থা নিচ্ছে না হল প্রশাসন।
শুক্রবার বঙ্গবন্ধু হলের রাতের খাবারে মেনুতে পচা মাছ ভর্তা বিক্রির অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বঙ্গবন্ধু হলের রাতের মাছ ভর্তা থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। অথচ তখনো ক্যানটিন মালিক শিক্ষার্থীদের কাছে মাছ ভর্তা বিক্রি করছেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আল ফারিউল সিক্ত বলেন, খাবার খাওয়ার সময় আমি মাছ ভর্তা নিই। পরে খাবার মুখে দেয়ার পর গন্ধে খেতে পারি না। পরে আমার বন্ধুদের দেখাই। তারাও বলে মাছ ভর্তা পচা ছিল। পরবর্তীতে আমি মাছ পচা বলে অভিযোগ জানাই। অভিযোগ সত্যতা প্রমাণে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় তখনো পচা মাছ বিক্রি করছে।
আবাসিক শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, একদিকে যেমন রান্নাঘরে ধুলাবালি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ অন্যদিকে মানহীন ও একই খাবার প্রতিদিন দেয়ায় ডাইনিং-ক্যানটিনে খাবারের প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।
তারা বলছেন, অপুষ্টিকর, পচা ও দুপুরের খাবার রাতের খাবারে মিশিয়ে দেয়া হচ্ছে, যা বাধ্য হয়েই খাচ্ছেন তারা। নিম্নমানের খাবার খেয়ে ক্ষুধামান্দ্য ও চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছেন তারা।
পচা মাছ ভর্তা বিক্রির বিষয়ে হলের ক্যানটিন পরিচালক সাকিব বলেন, মাছ ভর্তা অনেক আগে করা, একটু গন্ধ থাকতে পারে। অভিযোগ পেলে আমরা খাদ্যতালিকা সরিয়ে ফেলি। তবে, এখনো পচা মাছ ভর্তা বিক্রি করছেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমরা মাত্রই সরিয়ে ফেলেছি।
এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু হলের প্রভোস্ট আরিফ হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেব। হলের ক্যানটিন মালিককে ফোন দিয়ে পচা খাবার বিক্রি করতে বারণ করা হবে।