সারাদেশের মানুষকে নদী ভাঙন থেকে রক্ষায় কাজ করছে সরকার: পানিসম্পদ উপমন্ত্রী

পানিসম্পদ উপমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম বলেছেন, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড মাধ্যমে কীর্তিনাশা নদীর ডান ও বাম তীর রক্ষা প্রকল্পে ব্যয় ৩১৯ কোটি টাকা।

তিনি বলেন, নড়িয়া থেকে শুরু মাদারীপুর কালকিনি পর্যন্ত। আমরা এই প্রকল্পের গুণগত মান ঠিক রেখে দ্রুততার সঙ্গে কাজ করার জন্য ২২ প্যাকেজে ভাগ করেছি। ইতিমধ্যে ৯টি প্যাকেজের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়েছে। এই মাসের মধ্যে বাকি প্রক্রিয়া শেষ হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই গুণগত মান ঠিক রেখে আমরা কাজ সম্পূর্ণ করতে পারবো। শুধু তাই নয় সারাদেশের মানুষকে নদী ভাঙনের হাত থেকে স্থায়ীভাবে রক্ষা করতে কাজ করছে সরকার।

বুধবার বেলা ১১টার দিকে নড়িয়া লঞ্চ ঘাটে শরীয়তপুরের কীর্তিনাশা নদীর ডান ও বাম তীর রক্ষা শীর্ষক প্রকল্পের উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন তিনি।

পানিসম্পদ উপমন্ত্রী বলেন, আগামী ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের অপেক্ষায় আছে। পদ্মাসেতু বাস্তবায়িত হলে শুধু শরীয়তপুরই নয় দক্ষিণ অঞ্চলের চেহারা পাল্টে যাবে। জিডিপির গ্রত ডাবল ডিজিটে চলে যাবে।

এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছাবেদুর রহমান খোকা সিকদার, নড়িয়া পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ, নড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাস্টার হাসানুজ্জামান খোকন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল হেকিম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সৈয়দ সাহিদুল আলম, জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এসএম আহসান হাবীব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, শরীয়তপুরের কীর্তিনাশা নদীর ডান ও বাম তীর রক্ষা শীর্ষক প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩১৯ কোটি টাকা।

যা ২০২৪ সালের জুন মাসে শেষ হওয়ার লক্ষ্যে কাজ চলমান রয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে নড়িয়া থেকে শরীয়তপুর সদর ও কালকিনি পর্যন্ত ১১ দশমিক ৯৪ কিলোমিটার নদীর তীর সংরক্ষণ কাজ করা হবে। যার মাধ্যমে নদীর দুই পাড়ের মানুষের সম্পদ রক্ষা পাবে।