বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির ফলে মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে আর সরকার এসব অস্বীকার করছে। তাদের মন্ত্রীরা হেসে হেসে বলে- আরে দাম যেমন বেড়েছে, মানুষের ক্রয় ক্ষমতাও তো বেড়েছে।’
তিনি বলেন, ‘কারা এরা? এরা জিডিপির শুভংকরের ফাঁকি দেয়। অবলীলায় তারা মানুষকে প্রতারণা করছে, ধোঁকা দিচ্ছে।’
প্রয়াত বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের স্মরণসভায় সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেছেন, ‘আজকে মানবাধিকার এমন পর্যায়ে গেছে যেখানে মানুষের কথা বলার কোনো স্বাধীনতা নেই। রয়েছে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন; এর মধ্যে আবার নতুন নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে। এই নীতিমালা হলে আমরা মোবাইলে যে কথা বলি সে কথাও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। আমাদের প্রাইভেসি বলতে কিছু থাকবে না।’
নির্বাচন কমিশন প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘অতীতের মতো আরেকটা নির্বাচন কীভাবে করা যায়, সে জন্য তারা নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করেছে। এবার মানুষ আর সেটা শুনবে না, মানবে না। মানুষ রুখে দাঁড়াচ্ছে, রুখে দাঁড়াবে; ইনশা আল্লাহ্। … দেশের মানুষ ঘুরে দাঁড়াবে, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে।’
এ সময় তিনি বলেন, ‘মওদুদ আহমদ আপাদমস্তক একজন গণতন্ত্রমনা মানুষ ছিলেন। অনেকেই বলবেন তিনি তো এরশাদের মন্ত্রিসভায় গিয়েছিলেন। কিন্তু সেটাও তিনি গিয়ে ছিলেন গণতন্ত্রের স্বার্থেই।’
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদীন ফারুকের সঞ্চালনা এবং আয়োজক সংগঠনের সভাপতি আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহর সভাপতিত্বে স্মরণসভায় অন্যদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুস সালাম, আমান উল্লাহ আমান, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, শামীমুর রহমান শামীম, নিপুন রায় চৌধুরী প্রমুখ বক্তৃতা করেন।