পুতিন-এরদোয়ান ফোনালাপে ইউক্রেন-রাশিয়া 'সমঝোতার ইঙ্গিত'

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের ফোনালাপে রাশিয়া-ইউক্রেন সমেঝোতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েেছে। 

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, পুতিন তার দাবিগুলো সংক্ষিপ্ত করে এনেছেন। এরদোয়ানের সঙ্গে ফোনালাপের পর, তাদের মধ্যে চারটি চুক্তিতে সমঝোতায় পৌঁছানো মোটামুটি সহজ হয়েেছে। 

এরদোয়ানের প্রধান উপদেষ্টা ইব্রাহিম কালিন বিবিসির ওই প্রতিবেদককে এসব বলেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়া ইউক্রেনের কাছ থেকে এ নিশ্চয়তা চায় যে তারা ভবিষ্যতে নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখবে এবং পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য হওয়া উচিত নয়। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি এর আগে এমন ইঙ্গিত দিয়েছেনও।

বিবিসি জানায়, পুতিন যে দাবিগুলি করছেন তার একটিহলো 'ডিনাজিফিকেশন ক্লজ'। তবে জেলেনস্কির কাছে এ ধরনের ভাষা আক্রমণাত্মক। তুরস্কের মতে এ ভাষা গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠছে। আর এখানেই সমঝোতার কাজটি সহজ হয়ে গেছে।

আরো জানা যায়, পুতিন পূর্ব ইউক্রেনের কিছু অংশ দাবি করছেন। এবং জেলেনস্কির কাছ থেকে এ স্বীকারোক্তিও পাওয়া গেছে যে ক্রিমিয়া ২০১৪ সালে রাশিয়াকর্তৃক দখল হওয়ার পর থেকে এটি এখন তাদের স্থায়ী অংশ।

পুতিন বলেছেন, এসব দাবি গ্রহণে সদিচ্ছা থাকলে কেবল তার ইউক্রেনীয় প্রতিপক্ষের সঙ্গে আলাপে সংকটের সমাধান করা যেতে পারে। জেলেনস্কিও ইতিমধ্যে বলেছেন যে তিনি কথা বলতে ইচ্ছুক।

তবে তুরস্ক মনে করছে দুদেশের পক্ষে যে কোনো সমঝোতা চুক্তি হতে কয়েক সপ্তাহ লাগতে পারে।

বিবিসির ওই প্রতিবেদক এরদোয়ানের প্রতিনিধি ইব্রাহিম কালিনকে জিজ্ঞেস করেন, ফোনালাপের সময় পুতিনের গলা কেমন শোনাচ্ছিল? তিনি কি উত্তেজিত ছিলেন, নাকি হুমকি দিচ্ছিলেন? জবাবে তুর্কি প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা বলেন, তিনি স্বাভাবিক এবং সুনির্দিষ্ট ছিলেন।