ঢাকার নবাবগঞ্জে শুক্রবার সমাবেশ করার কারণে ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাকসহ ২৭ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ।
এ মামলায় শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার সিংহড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে সমাবেশ চলাকালে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন গাজীপুর জেলার কালিয়ারকৈর উপজেলার উত্তর হিজলতলী গ্রামের মৃত বদিউজ্জামানের ছেলে আলমগীর হোসেন (৫২), নবাবগঞ্জ উপজেলার সিংহড়া গ্রামের মৃত সাহেব আলীর ছেলে মো. কাইয়ুম (৩৪), একই গ্রামের রশীদ শেখ এর ছেলে বাবুল শেখ (৩৪)।
এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সিরাজুল ইসলাম শেখ জানান, পুলিশি কাজে বাধা, অবৈধ সমাবেশ, রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ ও পুলিশকে আহত করার অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নবাবগঞ্জ থানা পুলিশের উপপরিদর্শক সোহেল মোল্লা জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় সিংহড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে অবৈধভাবে সমাবেশ করায় সমাবেশস্থল থেকে তাদের তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়েছেন তাদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার তিনজনকে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে শনিবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে ঢাকা জেলার বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাক বলেন, এই অবৈধ সরকার পুলিশ দ্বারা পরিচালিত। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার নয়। রাতের আধারে ভোট চুরি করে ক্ষমতায় বসেছে। শুক্রবার নবাবগঞ্জের সিংড়া এলাকায় আমাদের একটি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি ছিল। সেখান থেকে পুলিশ অন্যায়ভাবে আমার গাড়িতে থাকা আমার তিন মেহমানকে ধরে নিয়ে যায়। আমিসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। আমি এই মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। পুলিশ নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের কথায় আমাদের সঙ্গে এ অমানবিক আচরণ করছে। এ অবৈধ সরকার চিরদিন ক্ষমতায় থাকবে না এ কথাও পুলিশকে মনে রাখতে হবে।