দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাৎ: কক্সবাজার পৌর মেয়রকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

সরকারি প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণে দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের নানা অভিযোগে কক্সবাজার পৌর মেয়র মজিবুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 

রবিবার বেলা ১টা থেকে বিকেল পৌনে ৫টা পর্যন্ত পৌনে চার ঘণ্টা দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সংস্থার প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আলী আকবর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। 

দুদক সূত্র জানায়, অভিযোগের মধ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঘুষ ও বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে কক্সবাজারের সুগন্ধা পয়েন্টের সরকারি খাস জমির ওপর ৬০টি দোকান ঘর ও ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কলাতলীর সরকারি খাস জমিতে কাঁচাবাজার নির্মাণ, ব্যক্তি মালিকানাধীন ১০টি হােটেল, রির্সোট দখল, কক্সবাজার ভূ-উপরস্থ পানি শোধনাগার প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণের অর্থ উত্তোলন, ২৬টি মেগা প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণে উৎকোচ গ্রহণ, উৎকোচ গ্রহণপূর্বক জেলার দুই পৌরসভা ও ১৪ ইউনিয়নের নির্বাচনে মনোনয়ন বাণিজ্য এবং কক্সবাজার পৌরসভার ৪৪টি উন্নয়নমূলক কাজ থেকে ১০ শতাংশ ঘুষ গ্রহণসহ সরকারি অর্থ ও সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিকাল পৌনে ৫টার দিকে দুদক কার্যালয় থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় অভিযোগ ও জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের এড়িয়ে যান মজিবুর রহমান। 

দুদক থেকে সম্প্রতি অপসারিত উপ-সহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দিন কক্সবাজারের ভূমি অধিগ্রহণের অনিয়মের বিষয়ে অনুসন্ধানে শতাধিক অভিযুক্তের মধ্যে কক্সবাজারের পৌর মেয়র মজিবুর রহমান অন্যতম।