ইতিহাস গড়া হবে তো?

সেঞ্চুরিয়নে জয় দিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ শুরু। জোহানেসবার্গে হারলেও আজ তৃতীয় ম্যাচ জিতে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে প্রথম সিরিজ জয়। আশাবাদী করছে পরিসংখ্যান। গত আট বছরে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ম্যাচে জয় পেলেই কখনো সিরিজ হারেনি বাংলাদেশ।

চলমান সিরিজ বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষীয় ৫৭তম। আগের ৫৬টি সিরিজের মধ্যে অর্ধেকেই, অর্থাৎ ২৮ সিরিজে প্রতিপক্ষের কাছে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল বাংলাদেশ। বাকি ২৮ সিরিজে অন্তত একটি হলেও ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ। আর সে সিরিজগুলোর ২০টিতেই সিরিজের প্রথম ম্যাচে জয় পেয়েছে। এর মধ্যে ১০ সিরিজে বাংলাদেশ হোয়াইটওয়াশ করেছে প্রতিপক্ষকে। শুরুটা কেনিয়াকে দিয়ে হয়েছিল ২০০৬ সালে, এরপর একে একে বাংলাদেশের শিকার হয়েছে আয়ারল্যান্ড, উইন্ডিজ (২ বার), নিউজিল্যান্ড (চার ম্যাচ সিরিজের দৈর্ঘ্য কমিয়ে দিয়েছিল বৃষ্টি), পাকিস্তান ও জিম্বাবুয়ে (৪ বার)।

বাকি ১০ সিরিজের মধ্যে ২০১৩ জিম্বাবুয়ে সফর করতে গিয়ে শুরুটা ভালোই করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু পরের দু’ম্যাচেই বাংলাদেশকে হতভম্ব করে দিয়ে সিরিজ জিতে নিয়েছে জিম্বাবুয়ে। কিন্তু এর ৫ মাস পর মিরপুরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টানা তিন ওয়ানডে জেতে বাংলাদেশ। পরের বছর জিম্বাবুয়েকে টানা পাঁচ ম্যাচে হারায় বাংলাদেশ ঘরের মাঠে। পরের বছর ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে তিন ম্যাচে হারানোর পর মোস্তাফিজুর রহমানের অসাধারণ বোলিং প্রথম দুই ম্যাচেই সিরিজ নিশ্চিত করে ভারতের বিপক্ষে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ হারলেও পরের দুই ম্যাচে দারুণভাবে ফিরে এসে তিন ম্যাচের সিরিজ জেতে। ২০১৮ সালে উইন্ডিজের সঙ্গে দুটি সিরিজেই প্রথম ম্যাচে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। তবে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে হেরে শেষ ম্যাচের জন্য নাটক জমিয়েছিলেন তামিম-মুশফিকরা। আর ২০২১ ও ২০২২ সালে শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচেই সিরিজ জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। এবার দেশের বাইরে প্রথম ম্যাচ জয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচে সিরিজ নিশ্চিত করতে না পারলেও তৃতীয় ম্যাচ জিতে সিরিজ জয়ের হাতছানি বাংলাদেশের সামনে।