যমুনাসহ ৪ নদীর পানি বৃদ্ধি: শাহজাদপুরে ২০০ বিঘার ধান পানির নিচে

যমুনা, করতোয়া, বড়াল ও হুড়াসাগর নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার পৌরসভা ও ১৩টি ইউনিয়নের নদী তীরবর্তী আরও ২০০ বিঘা নিচু জমির বোরো ধান ডুবে গেছে।

এ ছাড়া নদী তীরবর্তী তিল, বাদান ও কাউনি ফসল ডুবে কৃষকেরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

শাহজাদপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস সালাম এসব তথ্য জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সানাতনী গ্রামের জিয়া উদ্দিন, নূর ইসলাম, বাদশাহ মিয়া, ইব্রাহিম হোসেন, ছোট চানতারা গ্রামের খোরশেদ আলম ও বানতিয়ার গ্রামের অয়জাল সরকার, হোসেন আলী ও আলম শেখের সঙ্গে কথা হয়েছে।

তারা বলেছেন, হঠাৎ নদীতে পানি বৃদ্ধির ফলে তাদের অন্তত ১১৫ বিঘা জমির ধান ডুবে গেছে। এ ধান দিয়ে তারা বছরের অর্ধেক সময় খাদ্যর চাহিদা মিটিয়ে থাকেন। ফলে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা। কাঁচা ধান কেটে গরুকে খাওয়াচ্ছেন। ক্ষতি পুষিয়ে নিতে তারা সরকারের সাহায্য কামনা করেছেন।

এদিকে বুধবার দুপুরে চুনিয়াখালিপাড়া ও থানার ঘাট ব্রিজের নিচের নিচু জমি ঘুরে দেখা যায়, কামলার অভাবে কৃষকেরা বাড়ির ঝি বউ ও শিশু সন্তানদের দিয়ে ধান কেটে মাথায় করে বহন করছেন।

চুনিয়াখালিপাড়া গ্রামের আয়নাল প্রামাণিক, শহিদুল ইসলাম, নাহিদ প্রামাণিকসহ একাধিক কৃষক জানান, প্রতিবছর সাধারণত জ্যৈষ্ঠ মাসের শেষের দিকে নদীর পানি বৃদ্ধি শুরু হয়। কিন্তু এ বছর চৈত্র মাসের শুরুতেই হঠাৎ নদীর পানি বৃদ্ধি শুরু হয়েছে।

শাহজাদপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস সালাম বলেন, হঠাৎ পানি বৃদ্ধির ফলে শাহজাদপুর উপজেলার প্রায় ২০০ বিঘা বোরো ধান ডুবে গেছে। এর মধ্যে ১১৫ বিঘা জমির ধান সম্পূর্ণ ও ৭৫ বিঘা জমির ধান আংশিক ডুবে গেছে। এতে কৃষকদের বেশ ক্ষতি হয়েছে।