দুর্নীতির অভিযোগের জবাবে যা বললেন ইরমান খানের স্ত্রীর বান্ধবী ফারাহ

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের স্ত্রী বুশরা বিবির বান্ধবী ফারাহ খান তার বিরুদ্ধে আনা দুর্নীতির অভিযোগের জবাব দিয়েছেন।

ফারাহ খান ফারাহ শাহজাদি নামেও পরিচিত। তিনি টুইটারে দেওয়া এক বিবৃতিতে তার এবং পরিবার সম্পর্কে সমস্ত অভিযোগের নিন্দা করেন।

তিনি লেখেন, আমি নিজের এবং আমার পরিবারের বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ এবং গুজবের নিন্দা জানাই। আমি নিজে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত না বা আমি কখনো সরকারি বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার অবস্থানে ছিলাম না। যারা আমার চরিত্রকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করেছে তাদের অবশ্যই তাদের বোনদের মনে রাখতে হবে'।

ফারাহ আরো জানান, তার স্বামী তাদের ব্যবসার সব তথ্য খোলাসা করেছেন এবং তার সঙ্গে সম্পর্কিতরাও অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছে।

তিনি জানান, তিনি এবং তার পরিবার উত্থাপিত অভিযোগের কারণে ব্যথিত হয়েছে। ফারাহ জনসাধারণকে গুজব ছড়ানোয় যুক্ত না হতে অনুরোধ করেছেন। 

তিনি লেখেন, আমার পরিবার ক্রমাগত দুর্দশা ও কষ্টের মধ্যে রয়েছে। আল্লাহর দোহাই! অনুগ্রহ করে গুজব ছড়ানো বন্ধ করুন এবং আমাকে এবং আমার পরিবারকে এ থেকে রেহাই দিন।

ফারাহ খানের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নয় মাসে তিনি তার অ্যাকাউন্টে ২৪৯৬৫০ ডলার জমা করেন। যার উৎস প্রকাশে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন। দেশটির ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এফআইএ) বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা জমা করার জন্য তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে।

তবে তদন্তে কোনো অগ্রগতি হয়নি। এর কারণ হিসেবে বরা হয়, ফারাহ কর্মকর্তাদের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাখেন, যার কারণে মামলাটি রহস্যজনকভাবে স্থগিত করা হয়।

এ ছাড়া পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী মিফতাহ ইসমাইল অভিযোগ করেন, ফারাহ খানের বহন করা হ্যান্ডব্যাগের দাম ৯০ হাজার ডলার। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া 

ফারাহর একটি ছবির সূত্রে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ফারাহ খানের বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ তিনি পাঞ্জাবের বেসামরিক কর্মচারীদের বদলির জন্য টাকা নিয়েছেন।
অভিযোগে বলা হয়, তিনি (ফারাহ) দুর্নীতির কাজে লিপ্ত হতে পারেন, কারণ সরকারি কর্মকর্তাদের স্ত্রীদের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব আছে। তিনি একজন সামনের সারির নারী।