রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ছিনতাই ও চাঁদাবাজির অভিযোগে ৫৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গত সোমবার রাতে গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের ১ লাখ ৪৪ হাজার ৭৩০ টাকা, ৬০টি মোবাইল ও ৪৫টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাবের মুখপাত্র খন্দকার আল মঈন এসব তথ্য জানান।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো আওয়াল, আতিক, আলাউদ্দিন, ইসমাইল, জুয়েল, দুলাল, বদির উদ্দিন বাবু, বাবুল, বাবুল হাওলাদার, মোস্তফা হাওলাদার, সাহেব আলী, তানভির, জালাল হোসেন, নিয়ামুল হোসেন, ময়নুল হোসেন, মিন্টু খান, মেনু মিয়া, রনি, রানা, শরীফ সরকার, মহসীন, রণজিৎ দাস, রাসেল শিকদার, হারেজ, বাদশা, আল আমীন সর্দার, শহীদ, রাজু, রফিক, রোমান, আকবর, ইমন, রাব্বি, হৃদয়, মো. হোসেন, আল আমিন, ইসমাইল হোসেন, নাইমুল ইসলাম মিশু, নুরুল হক, রতন, রাব্বি, শফিকুল ইসলাম, সাগর হোসেন শামীম, উজ্জ্বল মিয়া, আক্কাছ, ইউছুফ, জাহিদ, মুন্সি মুছা আহমেদ, রবিন মিয়া, সাগর, সুজন, সোহাগ মৃধা ও সোহেল সরকার।
র্যাবের মুখপাত্র জানান, রমজান ও ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কিছু সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ ও ছিনতাইকারী চক্রের তৎপরতা বেড়েছে। সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ চক্র রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সবজি ও ফলের দোকান, ফুটপাতের অস্থায়ী দোকান, লেগুনাস্ট্যান্ড এবং মালবাহী গাড়ি থেকে ভয়ভীতি দেখানোর মাধ্যমে চাঁদা আদায় করে আসছে। কেউ চাঁদা দিতে রাজি না হলে তারা জীবননাশের হুমকি দেয়। র্যাব অভিযোগ পেয়ে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-৩-এর কয়েকটি দল একযোগে রাজধানীর রমনা, খিলগাঁও, হাতিরঝিল, শাহজাহানপুর, পল্টন ও ওয়ারী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
খন্দকার মঈন জানান, রাজধানীর খিলগাঁওয়ের মালিবাগ রেলগেট, দৈনিক বাংলা মোড়, পীরজঙ্গি মাজার ক্রসিং, কমলাপুর বটতলা, মতিঝিল কালভার্ট রোড, নাসিরের টেক, হাতিরঝিল, শাহবাগ, গুলবাগ, রাজউক ক্রসিং, ইউবিএল ক্রসিং পল্টন মোড়, গোলাপ শাহর মাজার ক্রসিং, হাইকোর্ট ক্রসিং, আব্দুল গণি রোড, মানিকনগর স্টেডিয়ামের সামনে, নন্দীপাড়া ব্রিজ, বাসাবো ক্রসিং এলাকায় সন্ধ্যা থেকে ভোররাত পর্যন্ত ছিনতাইকারীদের তৎপরতা বেড়েছে। চাঁদাবাজ ও ছিনতাইকারী চক্রের বিরুদ্ধে র্যাবের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।