নওগাঁর মহাদেবপুর থানায় হিজাব নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে সহিংসতা ও মানহানির অভিযোগে দাউল বারবাকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষিকা আমোদিনী পাল বাদী হয়ে মামলা করেছেন।
গতকাল শুক্রবার সকালে মহাদেবপুর থানায় মামলা করেন তিনি। মামলায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২০-২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
ওই মামলায় দুই সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলোÑদৈনিক নওরোজ ও দৈনিক ডেল্টা টাইমস পত্রিকার মহাদেবপুর উপজেলা প্রতিনিধি কিউ এম সাঈদ (৫০) ও মহাদেবপুর দর্পণ অনলাইন পত্রিকার মহাদেবপুর উপজেলা প্রতিনিধি সামসুজ্জামান মিলন (৩৮)।
গত বৃহস্পতিবার রাতে কিউ এম সাঈদকে মহাদেবপুর উপজেলা সদরের লাইব্রেরিপট্টি এলাকার নিজ বাড়ি ও সামসুজ্জামান মিলনকে উপজেলা সদরের কুশার সেন্টারপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ। পরে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়। মহাদেবপুর থানার ওসি আজম উদ্দিন মাহমুদ ওই তথ্য জানিয়েছেন।
গত ৮ এপ্রিল হিজাব না পরায় দাউল বারবাকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আমোদিনী পাল শিক্ষার্থীদের মারধর করেছেন বলে অভিযোগ তুলে ওই বিদ্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই হামলার ভিডিও ভাইরাল হয়। বিদ্যালয়ে হামলার ঘটনায় প্রশাসনের করা তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গত সোমবার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। তদন্তে হিজাব পরায় ছাত্রীদের পেটানোর অভিযোগের কোনো সত্যতা পায়নি কমিটি।