দেশের শান্তি-সম্প্রীতি নষ্ট হয়, এমন উস্কানিমূলক বক্তব্য পরিহারের আহ্বান জানানো হয়েছে ঈদ জামাতে।
মঙ্গলবার দেশের প্রধান ঈদ জামাত ঢাকায় জাতীয় ঈদগাহে নামাজের আগে বক্তব্যে এই আহ্বান জানান জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মাওলানা মোহাম্মদ রুহুল আমিন। সকাল সাড়ে আটটায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় ঈদগাহে নারীদের জন্যও আলাদা নামাজের ব্যবস্থা করা হয়।
করোনা মহামারির কারণে টানা দুই বছর পর এবার জাতীয় ঈদগাহে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঈদের জামাত। কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে মুসল্লিরা রাজধানীর হাইকোর্টসংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রবেশ করছেন।
পল্টন মোড়, মৎস্য ভবন ও হাইকোর্টের সামনে থাকা তিনটি পৃথক চেকপোস্টের মধ্য দিয়ে মুসল্লিদের যেতে হচ্ছে। ঈদ জামাতে প্রবেশের মুখে র্যাব-পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তীক্ষ্ণ নজর রয়েছে। তিন জায়গায় তল্লাশির পরই মুসল্লিদের ঈদগাহে প্রবেশ করতে দিচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
ইমাম রুহুল আমিন বলেন, এ দেশ শান্তি সম্প্রীতির দেশ। এদেশে সব ধর্মের মানুষ সম্প্রীতি নিয়ে বসবাস করে। শান্তি-সম্প্রীতি নষ্ট হয়, আমরা এমন উস্কানিমূলক বক্তব্য পরিহার করব। এধরনের বক্তব্য দেব না।
তিনি বলেন, “অনেক রক্তের বিনিময়ে এদেশ পেয়েছি আমরা, আল্লাহ। এদেশকে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র থেকে হেফাজত করুন। পৃথিবী থেকে যুদ্ধ যাতে চলে যায়। সকল বালা-মুসিবত থেকে আমাদের রক্ষা করুন।
দুই বছর পর অনুষ্ঠিত এই ঈদ জামাতে বিপুল সংখ্যক মুসলমান অংশ নেন। ৩৫ হাজার মানুষ ধারণ ক্ষমতার মাঠ পরিপূর্ণ হয়ে যাওয়ার পর কদম ফোয়ারার চারিদিকে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পশ্চিম পাশের সড়ক, শিক্ষা ভবনের পশ্চিম পাশের সড়কে দাঁড়িয়েও অনেকে নামাজ পড়েন।
শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সের মানুষ এই জামাতে অংশ নেন।