গত ৭ মে দেশ রূপান্তর পত্রিকায় ‘১৮ মিনিটের লাগেজ ৭২ ঘণ্টায়’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে মতামত দিয়েছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। গতকাল সোমবার শাহজালালের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত মতামতে বলা হয়, সৌদি আরব থেকে আসা যাত্রীদের লাগেজ সম্পর্কিত সমস্যার জন্য কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুংখ প্রকাশ করছে। উক্ত সংবাদের প্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ ঘটনাটির তথ্য উদঘাটন করে। ওই সময়ে সব বেল্টই সচল ছিল। অনেক সময় নির্দিষ্ট ফ্লাইটের আগমনের অপেক্ষা থাকাকালীন বেল্ট চলমান থাকে না। গত কয়েক দিন ধরে জেদ্দা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ চেকইন কাউন্টারে ত্রুটির কারণে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের অনেক যাত্রীর ব্যাগ পাঠাতে ব্যর্থ হচ্ছে। যেসব লাগেজ আটকে আছে সেগুলো আনার চেষ্টা চলছে। তাছাড়া জমজম পানির বোতল লাগেজের ভেতরে আনার নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সৌদি সিভিল এভিয়েশন। যাদের লাগেজে জমজমের বোতল ছিল সেগুলো আটকে রাখা হয়েছে।
মতামতে আরও বলা হয়, ওমরাহ যাত্রীরা গ্রুপ লিডারের নামে লাগেজ বুকিং করেন। ফলে লাগেজের ট্যাগগুলো লিডারের কাছে থেকে যায়। যাত্রীদের কাছে ট্যাগ না থাকায় লাগেজ পেতে বেগ পেতে হয়। লাগেজগুলো আসার পর শাহজালাল কর্তৃপক্ষ প্রত্যেক যাত্রীর ঠিকানায় হোম ডেলিভারি দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সামর্থ্য অনুযায়ী যাত্রীদের সেবা দিতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ অঙ্গীকারাবদ্ধ।