মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে মার্কেট ফোর্সেসের গবেষণা

দূষণে অকাল মৃত্যুঝুঁকিতে ৬৭০০ মানুষ

মাতারবাড়ী কয়লাবিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন শুরু হলে বায়ুদূষণের কারণে আশপাশের এলাকার ৬ হাজার ৭০০ বাসিন্দার অকালমৃত্যু হবে। বিদ্যুৎকেন্দ্রের মেয়াদকালে ব্যাপক আকারে বায়ুদূষণের কারণে অন্যান্য স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের আশঙ্কাও রয়েছে। নির্মাণকাজের জন্য ইতিমধ্যে যারা বাস্তুচ্যুত হয়েছে ও জীবিকা হারিয়েছে, তাদের অবস্থা আরও খারাপ হবে। অস্ট্রেলিয়ার পরিবেশবিষয়ক আন্তর্জাতিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান মার্কেট ফোর্সেসের এক গবেষণায় উঠে এসেছে এসব তথ্য।

গতকাল সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সঙ্গে যৌথভাবে গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করে মার্কেট ফোর্সেস। ‘চট্টগ্রাম অঞ্চলে জ¦ালানি পরিকল্পনা : সম্ভাব্য কার্বন বিপর্যয়’ শীর্ষক ওই গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন মার্কেট ফোর্সেসের নির্বাহী পরিচালক জুলিয়ান ভিনসেন্ট।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগ বিশে^র অন্যতম বৃহৎ কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণক্ষেত্র হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে বলে এক গবেষণা প্রতিবেদনে আশঙ্কা করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চট্টগ্রামে প্রস্তাবিত জীবাশ্ম জ¦ালানিভিত্তিক ২১টি বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হলে এর পুরো মেয়াদকালে বায়ুমণ্ডলে ১৩৮ কোটি টনের মতো কার্বন ডাই-অক্সাইড যোগ হবে।

গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাপার সাধারণ সম্পাদক শরীফ জামিল, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা বিভাগের প্রধান খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম, জাপানের বেসরকারি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান জাপান সেন্টার ফর আ সাসটেইনেবল এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোসাইটির (জকেসাস) প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর ইউকি তানবে, বাপার যুগ্ম সম্পাদক ও ব্রতীর প্রধান নির্বাহী শারমীন মুরশিদসহ অনেকে।