আজ রাতে দল নিয়ে হাভিয়ের কাবরেরাকে চড়তে হবে ইন্দোনেশিয়াগামী বিমানে। কাদের নিয়ে যাবেন, সেটা কাল রাত পর্যন্ত ঠিক করতে পারেননি জাতীয় দলে চোটের ঝড় বয়ে যাওয়ায়। যাদের নিয়ে ক্যাম্পটা শুরু করেছিলেন তাদের তিনজন ঝরে গেছেন চোটে। এএফসসি কাপ খেলে কাল ঢাকায় ফেরা বসুন্ধরা কিংসের যাদের দিকে পাখির চোখ করেছিলেন, তাদের মধ্যেও চারজন ভুগছেন নানা ইনজুরিতে। তাই ক্লাবের ফিজিও, কোচিং স্টাফদের সঙ্গে আলোচনা না করে স্কোয়াডের ব্যপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না কাবরেরা।
ব্যথা থাকায় ক্যাম্পে যোগ না দিয়ে শোকজ নোটিস পেয়েছিলেন আবাহনীর গোলকিপার শহীদুল আলম সোহেল। দেরিতে ক্যাম্পে যোগ দেওয়ায় নাবিব নেওয়াজ জীবনের দরজাটা কাবরেরা নিজেই বন্ধ করে দিয়েছেন। এরপর অনুশীলনে ব্যথা পেয়ে ক্যাম্প ছেড়েছেন শেখ রাসেলের মিডফিল্ডার হেমন্ত ভিনসেন্ট বিশ্বাস ও ফরোয়ার্ড সাদউদ্দিন। হেমন্তের চোট ডান পায়ের উরুতে। আর সাদউদ্দিন ব্যথা পেয়েছেন ডান পায়ের হাঁটুর নিচের হাড়ে।
দুর্ভাগ্য সুমন রেজার। কলকাতায় এএফসি কাপে মোহনবাগান ম্যাচের আগের দিন অনুশীলনে সেকেন্ড গোলকিপার সুলতান আহমেদের সঙ্গে সংঘর্ষে ডান পায়ের হাঁটুতে মারাত্মক চোট পান তরুণ এই স্ট্রাইকার। সুলতানের দাঁত লেগে হাঁটু ছড়ে যায় তার। দিতে হয়েছে তিন-চারটে সেলাই। অ্যাঙ্কেল ইনজুরির কারণে গোকুলাম কেরালার বিপক্ষে শেষ ম্যাচের দলে ছিলেন না নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার তারিক কাজী। সে ম্যাচে বদলি নেমে ব্যথা পেয়ে স্ট্র্যাচারে মাঠ ছাড়তে হয় মাসুক মিয়া জনির। আর মতিন মিয়ারও নাকি হালকা লেগেছে সেই ম্যাচে। এদের ছাড়াও কিংসের আরও ৮জন আছেন কাবরেরার ভাবনায়। বাফুফে জানিয়েছে আজ দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হবে চূড়ান্ত স্কোয়াড। তার আগ পর্যন্ত কিছুটা টেনশনেই থাকতে হচ্ছে ফুটবলারদের।