২৭ মে, শুক্রবার মাদক মামলায় নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর (এনসিবি) তরফ থেকে বেকসুর খালাস ঘোষণা করা হয়েছে শাহরুখ পুত্র আরিয়ান খানকে। একই মামলায় ফাঁসতে যাচ্ছেন প্রাক্তন এনসিবি কর্তা সমীর ওয়াংখেড়ে। গেল অক্টোবরেই আরিয়ানের কাছে মাদক না থাকা সত্ত্বেও তাকে গ্রেপ্তার প্রসঙ্গ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল সমীরের বিরুদ্ধে। এমনকি, এনসিবির ঘুষ নেওয়ার কথাও সামনে উঠে আসে সেসময়। অনেকেই তখন দাবি করেন, শাহরুখ পুত্রকে পরিকল্পিত ভাবে ফাঁসানো হয়েছে।
তবে এবার তদন্তের মাধ্যমে মাদকের সঙ্গে আরিয়ানের সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় চটেছেন শাহরুখ ভক্তরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে নানা প্রতিবাদী কথা। অনেকে বলছেন, সমীরের এমন পরিকল্পনার জন্য সারা বিশ্বের সামনে ছোট হতে হয়েছে শাহরুখ খানকে। আরিয়ানকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা এনসিবির সাবেক সেই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ারও কথা বলছেন শাহরুখ ভক্তরা।
সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের তরফে জানানো হয়েছে, আরিয়ান মামলার ভুলভ্রান্তিপূর্ণ তদন্তের জেরে কেন্দ্র সরকার ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রাক্তন এনসিবি কর্তা সমীর ওয়াংখেড়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। জাল কাস্ট সার্টিফিকেটের মামলায় ইতিমধ্যেই সমীর ওয়াংখেড়ের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে ভারতের কেন্দ্র সরকার।
২০২০ সালের ৩১ আগস্ট এনসিবির মুম্বাইয়ের জোনাল ডিরেক্টর পদে যোগ দিয়েছিলেন সমীর ওয়াংখেড়ে। ইন্ডিয়ান রেভেনিউ সার্ভিসের ২০০৮ ব্যাচের ওই কর্তাকে কার্যত ‘ধার’ করেই এনসিবি-তে আনা হয়েছিল সুশান্ত সিং রাজপুত মৃত্যু মামলার সম্পর্কিত মাদক মামলার তদন্তের দায়িত্ব দিয়ে।
সেই কার্যকাল শেষ হওয়ার পরেও এনসিবিতে তিন মাস মেয়াদ বৃদ্ধি হয়েছিল তার। সেই সময়ই ঘটে যায় আরিয়ান খান মাদক মামলা। আরিয়ান বিতর্কের মাঝেই ৩১ ডিসেম্বর এনসিবিতে শেষ হয় সমীর ওয়াংখেড়ের কার্যকাল। এখন তিনি ডিরেক্টরেট অব রেভেনিউ ইন্টেলিজেন্সে (ডিআরআই)-এর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তা।