রাজধানীর জুরাইন এলাকায় স্থানীয়দের হামলায় ট্রাফিক পুলিশের তিন সদস্য আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
পুলিশ জানায়, রাস্তার উল্টো দিক দিয়ে আসা মোটরসাইকেল আরোহীকে আটকে কাগজপত্র দেখতে চাওয়া নিয়ে এ ঘটনা ঘটে।
মঙ্গলবার সকালে স্থানীয়দের হামলায় সার্জেন্ট আলী হোসেন, ট্রাফিক কনস্টেবল সিরাজুল ইসলাম ও শ্যামপুর থানার এএসআই উৎপল চন্দ্র আহত হন।
পুলিশ জানায়, আলী হোসেনের হাতে ২১টি সেলাই দিতে হয়েছে। তাকে রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বাকি দুজন তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের ওয়ারী বিভাগের উপ-কমিশনার শাহ ইফতেখারুল আলম জানান, সকাল পৌনে ১০টার দিকে রাজধানীর জুরাইন রেলগেট এলাকায় উল্টোপথে আসছিল একটি মোটরসাইকেল। তাতে এক নারীসহ দুজন আরোহী ছিলেন। কর্তব্যরত ট্রাফিক সার্জেন্ট আলী হোসেন কাগজপত্র দেখতে চাইলে মোটরসাইকেল চালক অত্যন্ত দুর্ব্যবহার শুরু করেন এবং উল্টো পোশাকে ও অন ডিউটিতে থাকা ট্রাফিক সার্জেন্টের পরিচয়পত্র দেখতে চার্জ করেন। পরে দুজনকে পুলিশ বক্সের নেয়া হলে সঙ্গে থাকা নারী উত্তেজিত হয়ে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন।
তিনি বলেন, তখন আশেপাশে থাকা সুযোগসন্ধানী লোকজন নারী লাঞ্ছনার অভিযোগ তুলে সার্জেন্টকে মারধর করে, পুলিশ বক্স গুড়িয়ে দেয়। এ সময় সার্জেন্টকে উদ্ধারে আসা অন্য দুই পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে শ্যামপুর থানা পুলিশ খবর পেয়ে অতিরিক্ত ফোর্স পাঠিয়ে আগত তাদের উদ্ধার করে।
ইফতেখারুল বলেন, এ ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক মো. রনি, তার স্ত্রী ইয়াসিন জাহান নিশাত ভুইয়া এবং শ্যালক ইয়াসির আরাফাত ভূইয়াকে আটক করা হয়েছে।