কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদের নেতৃত্বাধীন লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) নেতাদের ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দলটির আরেক অংশ আব্বাসী-সেলিমের নেতৃত্বাধীন এলডিপির নেতারা।
আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে আব্বাসী-সেলিমের নেতৃত্বাধীন এলডিপি নেতারা।
মঙ্গলবার বিকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আবদুল করিম আব্বাসী ও শাহাদাত হোসেন সেলিম নেতৃত্বাধীন এলডিপি এ আহ্বান জানান।
এর আগে সকালে অলির নেতৃত্বাধীন এলডিপির উদ্যোগে এক সংবাদ সম্মেলনে শাহাদাত হোসেন সেলিমের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ আনা হয়। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনেও অভিযোগ করেছেন অলি আহমদ।
অলির এলডিপির সংবাদ সম্মেলনের কিছু বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আব্বাসী ও সেলিম নেতৃত্বাধীন এলডিপি বলেছে, ‘সংবাদ সম্মেলনে স্বয়ং অলি আহমদ উপস্থিত না থাকলেও রাজনীতিতে অপরিচিত কয়েকজন লোক বক্তব্য রেখেছেন। যার অধিকাংশ তথ্যই মিথ্যাচারে পরিপূর্ণ।’
অলি আহমদের দলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, ‘এলডিপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিমসহ কয়েকজন নেতাকর্মী দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজ, বিশেষ করে আমেরিকা বাংলাদেশি প্রবাসীদের প্রলুব্ধ করে, প্রতারণার আশ্রয়ে এলডিপির প্যাডে প্রত্যয়নপত্র প্রদানের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ছিল।’
এ বক্তব্যের বিষয়ে আব্বাসী-সেলিম নেতৃত্বাধীন এলডিপি বলেছে, ‘একজন সম্মানিত রাজনীতিকের বিরুদ্ধে জঘন্যতম মিথ্যাচার এবং অযাচিত কুরুচিপূর্ণ। এরকম অবান্তর, অশ্লীল, মনোবিকল কেবল অলি আহমদের পক্ষেই সম্ভব। প্রথম কথা হচ্ছে, মতদ্বৈততার কারণে দল ছেড়ে আসার পর এমন জঘন্য মিথ্যাচারের এলডিপি (আব্বাসী-সেলিম নেতৃত্বাধীন) প্রতিবাদ জানাচ্ছে। একইসঙ্গে সতর্ক করছে, যে অনতিবিলম্বে এরকম মিথ্যাচারের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে। বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে। না হলে শাহাদাত হোসেন সেলিম আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে বাধ্য হবেন। এমনকি তিনি ১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।’