পা হারানো কবিরকে ক্ষতিপূরণ প্রশ্নে রুল

ঢাকার সদরঘাটে লঞ্চ ও পন্টুনের মাঝখানে পড়ে বাম পা হারানো কবির হোসেনকে (২৮) ক্ষতিপূরণ এবং এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে রুল দিয়েছে উচ্চ আদালত। তাকে কেন এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না রুলে তা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট।

এ সংক্রান্ত রিট আবেদনের ওপর প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গতকাল বুধবার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চে রুল দেয়। নৌপরিবহন সচিব, বিআইডব্লিটিএ’র চেয়ারম্যান, পূবালী-১২ লঞ্চের মালিকসহ ৮ বিবাদীকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলেছে আদালত।

গত ১৮ মে একটি জাতীয় দৈনিকে ‘এই সংসার চলবে কী করে : লঞ্চের ধাক্কায় পা হারানো কবিরের স্ত্রী’ শীর্ষক সংবাদ যুক্ত করে সম্প্রতি ভুক্তভোগীর পক্ষে হাইকোর্টে এ রিট আবেদনটি করেন আইনজীবী তানভীর আহমেদ। প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজধানীর নবাবপুরে বৈদ্যুতিক পাখার দোকানে দিনমজুরের কাজ করতেন কবির  হোসেন। পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে গত ১ মে  স্ত্রী, মেয়ে ও তিন বোনকে নিয়ে পটুয়াখালীতে গ্রামের বাড়ি যেতে সদরঘাটে আসেন তারা। লঞ্চের জন্য অপেক্ষার সময় পূবালী-১২ লঞ্চটি ঘাটে ভিড়তে শুরু করলে এর গতি বেশি থাকায় পন্টুনে এসে জোরে ধাক্কা দেয়। এ সময় লঞ্চ ও পন্টুনের মাঝে চাপ খেয়ে কবির হোসেনের বাঁ পা হাঁটুর নিচ থেকে প্রায় আলাদা হয়ে যায়। এতে তার বাম পা হাঁটুর ওপর থেকে কেটে ফেলতে হয়। ক্ষতিপূরণ দিতে এর আগে গত ২৮ মে  সংশ্লিষ্টদের আইনি নোটিস পাঠানো হলেও জবাব না পেয়ে এ রিট আবেদন করা হয়। আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার তানভীর আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।