খুব বেশি হলে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে তো? বিচারকের প্রশ্ন শুনে পাল্টা তাকে জিজ্ঞেস করল মাকে খুন করা ভারতের লখনউয়ের সেই কিশোর। শুধু তাই-ই নয়, সেই শাস্তি পেতে যে তার কোনও সমস্যা নেই, তা-ও জানিয়েছে বিচারককে।
গতকাল বুধবার ওই কিশোরকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হয়। শুনানি চলাকালীনই ম্যাজিস্ট্রেটকে সে বলে, ‘আমিই মাকে খুন করেছি। তারপর রাতভর পার্টি করেছি। এর জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড তো! আমি ভয় পাই না। সেটাই দিন, আমি তাতেও রাজি।’
অভিযোগ, পাবজি খেলতে না দেওয়ায় গত ৭ জুন মাকে গুলি করে খুন করে এই কিশোর। তার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে। কিশোরকে পাঠানো হয়েছে লখনউয়ের সংশোধনাগারে।
সংশোধনাগারের এক কর্মীর দাবি, মাকে খুন করেও কোনও অনুতাপ ধরা পড়েনি কিশোরের মধ্যে। বরং মায়ের প্রতি তার বিদ্বেষ যে বিন্দুমাত্র কমেনি, সেটা চোখেমুখে স্পষ্ট ধরা পড়েছে। ওই কর্মী আরও দাবি করেন, এই অপরাধ করে অনুতপ্ত তো নয়ই, উল্টো সংশোধনাগারের অন্য নাবালক আসামিদেরও তার অপরাধের কাহিনি শোনাচ্ছে সে। কীভাবে মাকে খুন করেছে, কেন খুন করেছে ইত্যাদি।
সংশোধনাগারের ওই কর্মী এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে আরও বলেন, ‘যে দিন থেকে এখানে এসেছে ওই কিশোর, সে দিন থেকেই নানা রকম বায়না করছে। জেলের খাবার নয়, ওকে ভাল ভাল খাবার দিতে হবে বলে চেঁচামেচি করছে। কখনও আবার বলছে, এই মামলায় পুলিশ অনেক বড় ভুল করেছে।’