চলমান বন্যায় বাংলাদেশের ক্ষতির প্রতি সমবেদনা এবং দুঃখ প্রকাশ করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।
তিনি বলেছেন, এখন থেকে ভারত নিয়মিতভাবে বন্যা সংক্রান্ত সকল তথ্য-উপাত্ত বাংলাদেশের সাথে বিনিময় করবে। যাতে এ রকম দুর্যোগ মোকাবিলায় ঢাকা প্রস্তুতি নিতে পারে।
রবিবার নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দুই পক্ষের যৌথ পরামর্শক কমিশনের (জেসিসি) বৈঠকে জয়শঙ্কর দুঃখ প্রকাশ করে এই কথা বলেন।
বৈঠকে উন্নয়নের জন্য দুই পক্ষ সীমান্ত নিরাপত্তায় ব্যবস্থাপনা, কানেকটিভিটি সংক্রান্ত সকল প্রকল্প এবং বাণিজ্য খাতে একসাথে কাজ করতে দুই দেশ সম্মত হয়েছে। বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন।
আলোচনার বিষয়ে কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, জেসিসি বৈঠকে সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, কানেকটিভিটি এবং বাণিজ্য প্রাধান্য পেয়েছে। বৈঠকে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক এবং রোহিঙ্গা ইস্যুতেও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। কানেকটিভি ইস্যুতে বিবিআইএন (বাংলাদেশ, ভূটান, ভারত এবং নেপাল- চার দেশের সংযোগ প্রকল্প) এর মতো প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে উপ-আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়াতে দুই পক্ষ বৈঠকে রাজি হয়েছে। এমন ধরনের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার এই অঞ্চলের মধ্যে গাড়ি চলাচল থেকে শুরু করে জ্বালানি সরবরাহসহ ব্যাপক উন্নয়ন করতে চায় দুই দেশ।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, চলমান বৈশ্বিক উত্তেজনায় এই অঞ্চলের স্বার্থ ঠিক রাখতে বৈঠকে ইতিবাচক এবং ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। চলমান বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার জন্য বিকল্প হিসেবে উপ-আঞ্চলিক এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার ওপর দুই পক্ষ জোড় দিয়েছে। রোহিঙ্গা সংকট কাটাতে ভারত সহযোগিতা করবে বলে বৈঠকে জানিয়েছে। গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় নয়াদিল্লিতে জেসিসি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
রাত ৯টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো পক্ষের কাছ থেকেই বৈঠক ইস্যুতে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।