করাচির বিশেষ একটি রেস্তোরাঁয় সোমবার পুরুষদের দেওয়া হয় ২০ শতাংশ ছাড়। এমন আকর্ষণীয় অফারের পরেও মনমতো ভিড় জমছে না। তাই গ্রাহকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই বিজ্ঞাপনে ব্যবহার করা হল সঞ্জয় লীলা বানশালি পরিচালিত ‘গাঙ্গুবাই কাথিয়াওয়াড়ি’র এক আইকনিক দৃশ্য।
পরনে রঙিন ব্লাউজ, স্কার্ট। মুখে চড়া মেকআপ। কিন্তু তাতেও চাপা পড়েনি গাঙ্গুবাইয়ের মুখের আতঙ্ক, বিতৃষ্ণা। যৌনপল্লিতে তখন গাঙ্গুবাই শিখছেন, কীভাবে পুরুষদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যায়। দরজায় ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে, মুখে শিস দিয়ে ডাকছেন অনেককে। আলিয়া ভাট অভিনীত এই নির্দিষ্ট মুহূর্তটিকে প্রচারে ব্যবহার করছে করাচির ওই রেস্তোরাঁ।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, বিজ্ঞাপনের জন্য আলিয়া বা সঞ্জয় কারো অনুমতিই নেয়নি তারা। এ ছাড়া রেস্তোরাঁর বিজ্ঞাপনের ঝলক ছড়িয়ে পড়তেই তীব্র নিন্দার সম্মুখীন হয়েছেন কর্তৃপক্ষ।
এই বিজ্ঞাপন প্রকাশ হতেই বিতর্ক শুরু হয়েছে পাকিস্তানেও। সেখানকার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও এর বিরোধিতা করা হয়েছে। অনেকেরই দাবি, আলিয়া ভাটের ওই ছবি ব্যবহার করে নারীদের অসম্মান করা হয়েছে। নারীবিদ্বেষী মনোভাবের গন্ধ আছে এতে। এতে সিনেমার বার্তার আলাদা মানেও করা হয়।
তবে রেস্তোরাঁর কর্তৃপক্ষের পাল্টা দাবি, ‘সিনেমায় এমন দৃশ্য দেখালে আপত্তি নেই, রেস্তোরাঁয় ব্যবহার হলেই অসুবিধা!’