আফগানিস্তানে ভূমিকম্প: আন্তর্জাতিক সাহায্যের আবেদন তালেবানের

ভয়াবহ ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত আফগানিস্তানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাকতিকা অঞ্চল। উদ্ধার তৎপরতা চালাতে এবং পরবর্তী পুনর্বাসনের জন্য তালেবান সরকার আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে।

বুধবার দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাকতিকা অঞ্চলে ভয়াবহ ভূমিকম্পে কমপক্ষে এক হাজার লোকের প্রাণহানি ঘটেছে। আহত হয়েছেন কমপক্ষে দেড় হাজার।

অঞ্চলটি একেবারে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। মাটির ঘরবাড়ি ধসে পড়েছে। এর নিচে আর কত লোক চাপা পড়ে আছে তা অজানা।

জাতিসংঘ ইতিমধ্যে জরুরি আশ্রয়কেন্দ্র এবং খাদ্য সহায়তার ব্যবস্থা করেছে।

ভারী বৃষ্টি এবং উদ্ধারকারীর অভাবে উদ্ধার কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

ভুক্তভোগী এবং উদ্ধারকারীরা বিবিসিকে বলেছেন, ভূমিকম্পের উপকেন্দ্রের গ্রামগুলো একেবারে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। রাস্তাঘাট, মোবাইল ফোন টাওয়ার বিধ্বস্ত হয়েছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।

দুই দশকের মধ্যে সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক ভূমিকম্পের শিকার হয়েছে দেশটি। এটি তালেবান সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

আফগানিস্তান মানবিক এবং অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে পড়েছে।

তালেবান সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আব্দুল কাহার বালখি বলেন, জনগণের প্রয়োজনের অনুপাতে সহায়তা দেওয়ার মতো আর্থিক সামর্থ্য নেই সরকারের।

আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থা, প্রতিবেশী দেশ এবং বিশ্বের ক্ষমতাবান দেশগুলো সাহায্য করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই সহায়তা আরও ব্যাপকভাবে বাড়াতে হবে। কারণ কয়েক দশকের মধ্যে এমন ধ্বংসাত্মক ভূমিকম্পের মুখোমুখি হয়নি দেশটি।

জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরাস বলেন, এই বিপর্যয়ে সংস্থাটি তাদের কার্যক্রম পুরোদমে চালিয়ে যাচ্ছে।

বিধ্বস্ত এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা, ওষুধ, খাদ্য এবং জরুরি বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।