গৌরবের প্রতীক পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার। সেই দৈর্ঘ্যের সমান তৈরি করা হয়েছে একটি ব্যানার। মঙ্গলবার (২৮ জুন) সকালে ব্যানারটি পদ্মা সেতুর এপ্রোচ সড়ক সংলগ্ন নাওডোবা-জাজিরা সড়কে প্রদর্শন করা হয়েছে। ব্যানারটি তৈরি করেছেন শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোবারক আলী সিকদার।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে উপজেলা চেয়ারম্যান মোবারক আলী সিকদার এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেন। এই ব্যানার পদ্মা সেতুর সমান ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার। সেতুর ছবিসহ এই ব্যানারে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে নানান লেখা।
জাজিরা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোবারক আলী সিকদার বলেন, পদ্মা সেতুর স্বপ্নদ্রষ্টা বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যা আজ বাস্তব বঙ্গবন্ধুর কন্যার দৃঢ়চেতা মনোভাবের কারণে। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে সারপ্রাইজ দেবো। ব্যানারটি বানাতে আমার অনেক অর্থ ব্যয় হয়েছে। আমি ব্যানারের মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছি, নেত্রী আপনি পদ্মা সেতুর জন্য অনেক কষ্ট করেছেন। পদ্মা সেতু সারা বাঙালির মাথাকে বিশ্বের দরবারে উঁচু করে দিয়েছে। বাঙালিরা সব পারে।
তিনি আরও বলেন, আজ পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তের মূল সড়কে প্রদর্শন করেছি এই ব্যানারটি। পথ দিয়ে যারা যাবে তারা দেখতে পাবে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপগ্রন্থনা ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক জাজিরা পৌরসভার বাসিন্দা মো. মোজাম্মেল হোসেন সিকদার জানান, পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার। আমাদের চেয়ারম্যানও পদ্মা সেতুর সমান ব্যানার করেছেন। ১২৭টি ব্যানার যুক্ত করে বানানো হয়েছে এটি। প্রায় এক মাস লেগেছে ব্যানারটি বানাতে। ব্যানার টানাতে ও বানাতে ৩০০ শ্রমিক কাজ করেছে। এটা টানাতে ৩ হাজার বাঁশ লেগেছে। ব্যানারটিতে প্রায় ২৫ লাখ টাকা খরচ হয়েছে তার।
এটি হতে পারে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ব্যানার। সম্ভাবনা রয়েছে বিশ্ব রেকর্ডেরও, বলছেন জাজিরার মানুষ।