১২ আগস্ট নেপালের পোখারায় শুরু হওয়ার কথা ছিল সাফ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ। তবে আসরটি পিছিয়ে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নেওয়া হয়েছে। ভেন্যুও পরিবর্তন করে নেওয়া হয়েছে কাঠমান্ডুতে। অল নেপাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি দায়িত্ব নিয়ে সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনকে ভেন্যু ও তারিখ পরিবর্তনের অনুরোধ করে। নতুন কমিটি চায় একটু সময় নিয়ে আসরের প্রস্তুতি নিতে। সেটা মেনে নিয়েছে সাফ।
সাফের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক হেলাল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আয়োজক নেপালের অনুরোধে মহিলা সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ নির্ধারিত সময়ে হচ্ছে না। তবে শিগগরই আমরা নতুন সূচি ঠিক করব।’ সাফকে সামনে রেখে অনেক দিন ধরেই কোচ গোলাম রব্বানী ছোটনের অধীনে প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সম্প্রতি জাতীয় দল ঘরের মাঠে র্যাংকিংয়ে ৬১ ধাপ এগিয়ে থাকা মালয়েশিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচের সিরিজে অসাধারণ ফুটবল খেলেছে। প্রথম ম্যাচ ৬-০ গোলে মালয়েশিয়াকে লজ্জা দেওয়ার পর দ্বিতীয় ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র করে সাবিনা খাতুনরা সিরিজ জিতে নিয়েছে। সাফ পেছানো প্রসঙ্গে কোচ ছোটন বলেন, ‘আমরা আগস্টে খেলা ধরেই মেয়েদের প্রস্তুত করছিলাম। মালয়েশিয়াকেও এ সময় আনা হয়েছিল। খেলা পিছিয়ে গেলেও আমাদের অনুশীলন বন্ধ রাখার সুযোগ নেই। এবার আমাদের প্রথম লক্ষ্য ফাইনাল নিশ্চিত করা। সাফের আগে যদি আরও কিছু প্রস্তুতি ম্যাচ খেলা যায় তবে আমার বিশ্বাস এবার আমরা ফাইনাল খেলব।’
এবারের আসরে ছয় দলে খেলার কথা রয়েছে। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা থাকায় অংশ নিতে পারছে না
পাকিস্তান। এটি হতে যাচ্ছে ষষ্ঠ সংস্করণ। এর আগে পাঁচবারই শিরোপা জিতেছে ভারত। ফাইনালে তাদের কাছে চারবার হেরেছে নেপাল। একবার বাংলাদেশ। সেটি ২০১৬ সালে ভারতের গৌহাটিতে। সর্বশেষ আসরে বাংলাদেশকে বিদায় নিতে হয়েছিল সেমিফাইনাল থেকে। তবে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে এমন পারফরম্যান্সের পর এবার একটু অন্যভাবে ভাবতেই পারে বাংলাদেশ।