‘সংগীতে সখ্যে অভিন্ন লক্ষ্যে’ প্রতিপাদ্য নিয়ে রাজধানীর জাতীয় নাট্যশালায় শুরু হয়েছে সংগীতের জাতীয় উৎসব ও সম্মেলন। গতকাল শনিবার সংগীত ঐক্য বাংলাদেশ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের প্রথম অধিবেশনে বিভিন্ন জেলা শহর থেকে সমবেত হওয়া শিল্পীদের নিয়ে মতবিনিময় করেন সংগঠনের নেতারা।
পরে সন্ধ্যায় জাতীয় সংগীতের সুরে সূচনা হওয়া উৎসবের। প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ ও শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন কুমার বিশ^জিৎ ও নকীব খান। অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে প্রয়াত শিল্পীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শোক প্রস্তাব উত্থাপনের পাশাপাশি এক মিনিটের নীরবতা পালন করা হয়। সভাপতিত্ব করেন আয়োজক সংগঠনের মহাসচিব শাহ মাহমুদ জঙ্গী।
স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘শিল্পীরা কী পেলাম, সেটা ভেবে গান করেননি। স্বাধীনতার ৫০ বছরে এসে তারা একত্র হয়েছেন। এতে আমরা আনন্দিত। সংগীতশিল্পীরা এখান থেকে কীভাবে লাভবান হবেন, সেটা নিয়ে ভাবতে হবে।’
সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেন, জেলা শিল্পকলার মাধ্যমে শিল্পীদের ১০ হাজার ও উপজেলার শিল্পীদের ৭ হাজার টাকা সম্মানী দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামী সংসদে কপিরাইট আইন সংশোধনের জন্য উত্থাপন করা হবে। এতে সংগীত সংশ্লিষ্টরা উপকৃত হবেন।
সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় শওকত আলী ইমনের সংগীতায়োজনে ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় গান শোনান দিনাত জাহান মুন্নী, কোনাল, হৈমন্তী রক্ষিত, অপু আমান, রাজিব ও আকাশ মাহমুদ। এ ছাড়া গানের সুরে উৎসব মাতিয়েছে ব্যান্ডদল ফিডব্যাক, সোলস। বিশেষ পরিবেশনা উপস্থাপন করেন নকীব খান, মানাম আহমেদ, কুমার বিশ^জিৎ ও বাপ্পা মজুমদার। অডিও অ্যালবামের গান শুনিয়েছেন মেহেরিন, জয় শাহরিয়ার, কিশোর, রন্টি, শাওন গানওয়ালা, এ আই রাজু, অবন্তী সিঁথি ও রাজু আহমেদ। লোকগান গেয়েছেন অংকুর ও আশিক। নানা ধারার বাংলা গান শুনিয়েছেন সন্ধি, সভ্যতা ও জয়িতা।