রাজের ‘মন অনেক ভালো’, ইয়াশ ‘অতিরিক্ত ভদ্র’

ঈদুল আজহার তিন সিনেমার মধ্যে সবচেয়ে কম হলে মুক্তি পেয়েও তরতর করে শীর্ষ ওঠে আসছে ‘পরাণ’। রায়হান রাফীর পরিচালনায় ত্রিভুজ প্রেমের গল্পটি ভীষণ পছন্দ করেছে দর্শক।

‘পরাণ’-এর প্রধান তিন অভিনেতা বিদ্যা সিনহা মিম, শরিফুল রাজ ও ইয়াশ রোহান ভাসছেন প্রশংসায়। সিনেমায় তিনজনকে ট্র্যাজেডির মাঝে দর্শক আবিষ্কার করলেও ব্যক্তি হিসেবে তারা পরস্পরকে খুবই পছন্দ ও সম্মান করেন।

নায়িকা মিমের মূল্যায়নে সেই কথাই ওঠে এসেছে। যেখানে বলছেন, রাজের মন অনেক ভালো ও ইয়াশ অনেক ভদ্র।

সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, ‘পরাণের দুই হিরোকে নিয়ে কিছু বলতে চাই। শুরুতে রোমানকে নিয়ে কিছু বলতে চাই, যার আসল নাম শরিফুল রাজ। সিনেমা করার আগে রাজের সাথে সেভাবে পরিচয় ছিল না। রিহার্সালের সময় ফার্স্ট দেখা। অল্প সময়েই এমন মনে হচ্ছিল যেন তার সাথে অনেকদিনের পরিচয়। হাসি, ঠাট্টার সাথে রিহার্সাল হয়ে উঠেছিল আনন্দময়।

রাজ খুব সাধাসিধে একটা ছেলে, তবে ভেতরে ভেতরে বেশ চঞ্চল। রাজের মনটা অনেক ভালো। রাজ অনেক স্ট্রাগল করে আজকের এই অবস্থানে এসেছে। রাজ যখন আরও বড় কিছু হবে, তখনও তার মাঝে সেই সিমপ্লিসিটিটা থাকবে বলে আমি আশা করি, যা কিনা এখন আছে।  কাজের সময় রাজ খুবই সিরিয়াস থাকে, মাথায় নিজের ক্যারেক্টার ছাড়া আর কিছুই থাকে না তার। অন্য সব কিছু ভুলে যায় সে। নতুনদের মাঝে এটা খুব কম দেখা যায়। কাজের সময় একবারও মনে হয়নি, পরাণ রাজের তিন নম্বর সিনেমা। সবসময়ই মনে হয়েছে, একজন এক্সপেরিয়েন্সড অভিনেতার সাথে কাজ করছি।’

আরও বলেন, আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে শরীফুল রাজের মতো হিরো আরও দরকার। সে আরও অসাধারণ সব কাজ করুক, সেটাই আমার চাওয়া।

ছবিতে সিফাত চরিত্রে ছিলেন ইয়াশ রোহান। তার সম্পর্কে মিম বলেন, ‘অনেক সুইট আর কিউট একজন ছেলে যেরকম হয়, ইয়াশ ঠিক সেরকম একজন ছেলে। খুবই ভদ্র, যাকে বলা যায় অতিরিক্ত ভদ্র। খুবই ফ্রেন্ডলি, অ্যাক্টিংয়ের সময় সেই ক্যারেক্টারেই থাকার চেষ্টা করে সে।

‘অভিনয় জিনিসটা আসলে ইয়াশের রক্তে। যার বাবা নরেশ ভুঁইয়া আর মা হলেন শিল্পী সরকার অপুর মতো অভিনেতা, তাদের ছেলে অসাধারণ অভিনয় তো করবেই! ইয়াশ রোহান খুবই ভালো অভিনেতা। আমি চাই, ইয়াশ যেন ফিল্মে অনেক নিয়মিত হয়, আরও চমৎকার কিছু সিনেমা যেন তার ক্যারিয়ারে যুক্ত হয়’, বলছিলেন মিম।