যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের (ইএসটি) ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষাসফরের বাস দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ভোর ৪টায় মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার পাঁচচর ইউনিয়নের ঢাকা-মাদারীপুর হাইওয়েতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার পর ৯৯৯ কল করলে হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের লোক এসে বাসের দরজা কেটে শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করেন।
দুর্ঘটনায় শিক্ষকসহ সকল শিক্ষার্থী সুস্থ থাকলেও বাসের চালক ও সহকারী আহত হয়েছেন।
জানা যায়, গত ১৮ তারিখ পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা বায়োডাইভার্সিটি কোর্সের ফিল্ড ট্রিপে সিলেটের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শনে যান। তাদের দায়িত্বে ছিলেন ইএসটি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. কে এম দেলোয়ার হোসেন ও প্রভাষক ফারিহা্ ফারহানা।
আজ সিলেট থেকে আসার সময় পদ্মা সেতু পার হয়ে শিবচর উপজেলার পাঁচচর ইউনিয়নের ঢাকা-মাদারীপুর হাইওয়েতে হঠাৎ ব্রেক করায় চলন্ত ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দেয় বাসটি।
এতে করে দুমড়ে-মুচড়ে যায় বাসের সামনের অংশ। এ বিষয়ে ইএসটি বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মাদ উসামা বলেন, সিলেট থেকে আসার সময় পদ্মা সেতু পার করে আমরা দুর্ঘটনার শিকার হই। দুর্ঘটনাটি ভোরবেলা ঘটে, তখন আমরা সবাই বাসে ঘুমায় ছিলাম। হঠাৎ করেই বিকট শব্দ ও ঝাঁকি দিয়ে বাসটি থেমে যায়। তারপরে দেখি আমাদের বাস সামনে থাকা ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষের কারণে আমাদের বাসের সামনের অংশ ভেঙে দরজা আটকে যায়। পরে আমরা ৯৯৯ ফোন করলে হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের লোক এসে বাসের দরজা কেটে আমাদের উদ্ধার করে। পরে কালনাঘাট থেকে আমরা আরেকটি বাসে করে যশোর আসি।
এই বিষয়ে দায়িত্বরত শিক্ষক ও ইএসটি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. কে এম দেলোয়ার হোসেন বলেন, সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমত যে আমরা সবাই সুস্থভাবে ফেরত আস্তে পেরেছি।
দুর্ঘটনায় কোনো শিক্ষার্থী আহত হয়নি। মূলত ট্রাক চালকের বেপরোয়া গতির জন্য দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। প্রশাসনের কাছে আমাদের অনুরোধ থাকবে পদ্মা সেতুর এই রাস্তার গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণের জন্য কঠোর মনিটরিং করা। প্রায়ই বেপরোয়া গতির জন্য এখন প্রায়ই এখানে দুর্ঘটনা ঘটছে।