ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের টাঙ্গন সেতুরর নিচ থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় মাহফুজা খাতুন (১৪) নামে মাদ্রাসাছাত্রীকে জীবিত উদ্ধারের ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার নাম মোছা. গুলজান আক্তার (৩৮)। গতকাল শুক্রবার ভোররাতে দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতেই মাহফুজা খাতুনের ভাই এমদাদুল হক বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও তিন-চারজনকে আসামি করে সদর থানায় মামলাটি করেন। আসামিরা হলোÑ দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার ভাবকী বিজয়পুর গ্রামের আসহাবুল ইয়ামিন (১৭), তার বাবা আমিরুল ইসলাম (৪৮) ও মা জমিলা বেগম (৩৭)।
এদিকে মাহফুজা ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। গতকাল পুলিশ তার জবানবন্দি রেকর্ড করেছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, গ্রেপ্তার গুলজান আক্তার দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার ভাবকী এলাকার ভাড়া থাকতেন। ওই সময় তার সহযোগিতায় প্রতিবেশী আসহাবুল ইয়ামিনের সঙ্গে মাহফুজার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজের জন্য খাতুনে জান্নাত কামরুন্নেছা মহিলা কাওমি মাদ্রাসায় মাহফুজা ওজু করতে গেলে আগে থেকে ওতপেতে থাকা ইয়ামিন, গুলজানসহ মামলার অন্যান্য আসামি কৌশলে তাকে ধরে নিয়ে আসে এবং প্রাণে মেরে ফেলার জন্য গলায় ওড়না পেঁচিয়ে বস্তায় ঢুকিয়ে টাঙ্গন নদীর সেতুর নিচে নিয়ে যায়। এ সময় স্থানীয় এক মুসল্লি দেখে ফেললে বস্তাবন্দি অবস্থায় মাহফুজাকে রেখে তারা পালিয়ে যায়।