বগুড়া ও কক্সবাজারের আবাসিক হোটেলে দুই তরুণের মরদেহ

পৃথক দুটি ঘটনায় বগুড়া ও কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল থেকে দুই তরুণের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২ আগস্ট) বিকাল সোয়া তিনটার দিকে বগুড়ার শ্যামলী রয়েল ইন আনাসিক হোটেলের ৬০৫ নম্বর কক্ষ থেকে তানভিরুল ইসলাম (২৪) ও রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজারের দি আলম নামের একটি হোটেলের ৪০৬ নম্বর কক্ষ থেকে মোহাম্মদ কাউসারের (২৬) মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আমাদের বগুড়া প্রতিনিধি জানান, বগুড়া শহরের কাজী নজরুল ইসলাম সড়কের শ্যামলী রয়েল ইন আবাসিক হোটেল থেকে যে তরুণের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে তার বাড়ি বরগুনার বামনা থানার কোলাগাছিয়া এলাকায়। তার বাবার নাম নজরুল ইসলাম।

সদর থানা পুলিশ ও রয়েল ইন আবাসিকের সূত্রের বরাত দিয়ে তিনি জানান, সোমবার মধ্যরাত দেড়টার দিকে হোটেলের ৬০৫ নম্বর কক্ষে উঠেন তানভিরুল। পরে দুপুর পর্যন্ত তার রুম থেকে কোন সাড়া শব্দ না পাওয়ায় হোটেল কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানায়। খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছে রুমের দরজা ভেঙে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহ শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে পুলিশ।

আমাদের কক্সবাজার প্রতিনিধি জানান, কক্সবাজারের হোটেল মোটেল জোন কলাতলী এলাকার দি আলম নামের হোটেল থেকে যে তরুণের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে তিনি জয়পুরহাট সদরের দিঘীপাড়া গ্রামের মো. মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি মো. সেলিম উদ্দিনের বরাত দিয়ে তিনি জানান, নিহত যুবক বিষাক্ত ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যা করতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তার কাছ থেকে একটি চিরকুট পাওয়া যায়। যেখানে তিনি তার মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী করেননি। ওই চিরকুটে হোটেল কর্তৃপক্ষকে হয়রানি না করার কথাও লেখা রয়েছে।